সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি খেলাফত মজলিসের কর্মী সমাবেশে নির্বাচনি প্রস্তুতি জোরদারের আহ্বান নারায়ণগঞ্জে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহানগর কার্যালয় উদ্বোধন ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে নামাজের সুন্দর ব্যবস্থা, প্রশ্ন উঠছে মসজিদ ভাঙা নিয়ে মাতুয়াইলে ডাকাতের হামলার শিকার খেলাফত আন্দোলনের নেতারা হজের কমে যাওয়া কোটাও পূরণ হওয়া নিয়ে শঙ্কা ইসলামি বইমেলায় প্রথমবার স্থান পেল ‘শাপলা কর্নার’  স্পেনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত ইবতেদায়ি ৫ম ও দাখিল ৮ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল ক্যানসারে মারা গেলেন তরুণ আলেম মো. জুনায়েদ আল হাবিব

'রোহিঙ্গাবিরোধী প্রচারণায় ফেসবুককে ব্যবহার করা হয়েছে: জাকারবার্গের স্বীকার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ স্বীকার করেছেন মিয়ানমারে ঘৃণা ছড়ানোর জন্য ফেসবুককে ব্যবহার করা হয়েছিলো।

গতকাল (২ এপ্রিল) জাকারবার্গ বলেন, রোহিঙ্গা-বিরোধী প্রচারণা চালাতে এবং ‘প্রকৃত সংকট উসকে দিতে’ ফেসবুককে ব্যবহার করার বিষয়টি তারা জানতে পেরেছেন।

অনলাইন নিউজ সাইট ভক্স-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী জানান, রোহিঙ্গা মুসলমান এবং রাখাইন বৌদ্ধদের মধ্যে সংঘাত ছড়িয়ে দিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটিকে কতটা ব্যবহার করা হয়েছে তা খুঁজে বের করতে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাচ্ছে।

জাকারবার্গ বলেন, “আমি মনে করি, আমাদের প্রতিষ্ঠানে মিয়ানমার নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। আমার মনে আছে, এক শনিবারে আমি ফোন পাই এবং আমরা খুঁজে বের করি যে লোকজন সংবেদনশীল বার্তা ফেসবুক ম্যাসেঞ্জরের মাধ্যমে ছড়াচ্ছে।” এমনটি দুই পক্ষ থেকেই করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

জাকারবার্গ অারো বলেন, “আমি মনে করি, এটি পরিষ্কার যে লোকজন আমাদের এই মাধ্যমটি ব্যবহার করে সংঘাত ছড়াচ্ছিল।… সংঘাত ছড়িয়ে দিতে পারে এমন বার্তা পড়ার ব্যবস্থা আমরা বন্ধ করে দেই।”

আরও পড়ুন : জেনে নিন ফেসবুক-গুগলে গোপনীয়তা রক্ষার কৌশল

শীর্ষস্থানীয় অনলাইন বিশ্লেষক রেমন্ড সেরাটোকে উদ্ধৃত করে গার্ডিয়ান লিখছে, গতবছর অগাস্টে যখন নির্যাতনের মুখে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে পালাতে শুরু করে সেসময় ফেসবুকে রোহিঙ্গা বিরোধী একটি গ্রুপের সদস্যদের পোস্টিং ২০০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছিল। ফেসবুকের ঐ গ্রুপের সদস্য সংখ্যা ৫৫,০০০।
এক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, ২০১৪ সালে মিয়ানমারের ৫ কোটি ৩০ লাখ জনসংখ্যার মাত্র এক শতাংশ মানুষের কাছে ইন্টারনেট ছিল। কিন্তু মাত্র দু’বছরের ব্যবধানে ২০১৬ সালে মিয়ানমারে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১ কোটি ৪০ লাখ। বিবিসি।

২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে কথিত বিদ্রোহীদের আক্রমণের পর দেশটির সেনাবাহিনী জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা চালালে নতুন করে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা প্রতিবেশী বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন দেশ রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এই হামলাকে জাতিগত নির্মূল অভিযান হিসেবে আখ্যা দেয়।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ