বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে কী বলছেন চিন্তাশীল আলেমরা পশ্চিমবঙ্গে ‘ইনশাআল্লাহ’, ‘জাজাকাল্লাহ’ বলে বিপাকে পুলিশ কর্মকর্তা কুমিল্লা আইনজীবী সমিতিতে ইসলামী আইনজীবী পরিষদের মতবিনিময় চামড়া শিল্পে ইতালির বিনিয়োগ ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গে মধ্যরাতে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাংলাভাষী মুসলিমদের! হারামাইনের নিরাপত্তা সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টায় বাংলাদেশের নিন্দা ফতোয়া ও আত্মশুদ্ধির ময়দানে মুফতি সাঈদ আহমদ রহ. সৌদিতে ১৩০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধান, দেয়ালে নবীজির নাম মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়: জমিয়ত

কুশনার তো আমার পকেটে: মুহাম্মদ বিন সালমান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুজাহিদুল ইসলাম: আমেরিকান জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ইন্টারসেপ্ট জানিয়েছে, সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মাদ বিন সালমান আমিরাতের ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মাদ বিন যায়েদকে গর্ব করে বলেছেন, আমেরিকান প্রেসিডেন্টের জামাই জারেড কুশনার তো আমার পকেটে। আমার ইশারাতেই চলে।

আমেরিকান জনপ্রিয় এই ওয়েবসাইট আরো জানায়, রিয়াদের বিলাসবহুল হোটেলে সৌদি যুবরাজ ও ব্যবসায়ীদের আটকের এক সপ্তাহ আগে জারেড কুশনার বিন সালমানের সাথে রিয়াদে বৈঠক করেছিলেন। তারা কয়েক দিন রাত চারটা পর্যন্ত আলোচনা করতেন।

ওয়েবসাইটটি জানায়, ওই সাক্ষাতে কী আলোচনা হয়েছে, সেটি কেবল তারা দু’জনই জানেন। কিন্তু বিন সালমান তার বিশ্বস্ত কিছু ব্যক্তিকে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের জামাই জারেড কুশনার তার সাথে তার বিরোধী কিছু ব্যক্তির ব্যাপারে আলোচনা করেছেন।

ওয়েবসাইটটি মন্তব্য করে, ধরলাম! কুশনার এমন কিছু করেননি, কিন্তু এটা একই সাথে সৌদি ক্রাউন প্রিন্সের সমর্থক ও বিরোধীদের এ বার্তা দিচ্ছে যে, তিনি যা করছেন, তাতে ওয়াশিংটনের সমর্থন রয়েছে।

কিন্তু ওয়েবসাইটটি বলে, প্রেসিডেন্টের জামাই-কতৃক বিন সালমানের সাথে কিছু নাম নিয়ে আলোচনা করাটা যদি এ-অর্থে হয় যে, এটাতে আমেরিকা ও সৌদি-পররাষ্ট্রনীতির অভিন্ন ও কৌশলগত ঐক্যমত্য রয়েছে, তবে এটি একটি মিত্র দেশের অভ্যন্তরীন সংঘাতে আমেরিকার চরম হস্তক্ষেপ।

আর যদি প্রেসিডেন্টের জামাই জারেড কুশনার ট্রাম্পের অনুমতি ছাড়াই বিন সালমানের সাথে এসব নাম নিয়ে আলোচনা করেন তবে তা গোপন গোয়েন্দাতথ্য-বিনিময় বিষয়ক আমেরিকান আইনের লঙ্ঘন।

উল্লেখ্য, কুশনারের হোয়াইট হাউজের নিরাপত্তাছাড়ের মাত্রা হ্রাসের আগেই (যার মাধ্যমে আমেরিকান প্রেসিডেন্টের অতীব গুরুত্বপূর্ণ গোপনতথ্য বিনিময়ের সময় তার উপস্হিতির অধিকার থাকতো) হয়তো কুশনার এ তথ্য নিয়েছে এবং তা সৌদিতে গ্রেপ্তার অভিযানের আগেই বিন সালমানকে হস্তান্তর করেছেন।

‘কুশনার আমার ইশারাতেই চলে’ বিন যায়েদের সাথে সৌদি ক্রাউন প্রিন্সের এ আলোচনা বিষয়ে ওয়েবসাইটটি এ উপসংহারে পৌঁছায় যে, এসব কিছুর অর্থ হচ্ছে, বিভিন্ন বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে জারেড কুশনার বিন সালমানের কাছে নানাভাবে ফেঁসে আছেন!

উল্লেখ্য, বর্তমানে জারেড কুশনারের বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ে স্বাধীন তদন্তকারী কর্মকর্তা রবাট মুলার তদন্ত করছেন।

সূত্র: আলজাজিরা

সৌদি যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমানের উত্থানের নেপথ্যে

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ