বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
হারামাইনের নিরাপত্তা সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টায় বাংলাদেশের নিন্দা ফতোয়া ও আত্মশুদ্ধির ময়দানে মুফতি সাঈদ আহমদ রহ. সৌদিতে ১৩০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধান, দেয়ালে নবীজির নাম মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়: জমিয়ত ‘রাষ্ট্রপরিচালনার ক্ষেত্রে জনপ্রত্যাশা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে প্রাধান্য দিচ্ছে সরকার’  দাওরায়ে হাদিসের মেধাবৃত্তির অর্থ বোর্ডে পাঠিয়েছে আল-হাইআতুল উলয়া স্পিকারের সঙ্গে জার্মানির রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ অপরাধের ধরন বদলালেও পুলিশের আধুনিকায়ন সম্ভব হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্পত্তি হস্তান্তর আইন নিয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে আলেম প্রতিনিধিদের মতবিনিময়

আযান শুনে ভাষণ থামালেন মোদি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ মোদি আযানের শব্দ শুনে ভাষণ থামিয়ে দিলেন।

শনিবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে বিজেপি’র সদরদফতরে দলীয় নেতা-কর্মীদের সভায় ভাষণ দেয়ার সময় পাশের একটি মসজিদ থেকে আসা মাগরিবের আযানের শব্দ শুনে ভাষণ বন্ধ করে দেন। তাকে এ সময় বেশ কিছুক্ষণ ধরে নীরব হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

মোদি বলেন, আযানের জন্য দু’মিনিট থামা হচ্ছে। তার পাশাপাশি দলীয় সদস্য সমর্থকরাও এ সময় সকলেই নিশ্চুপ হয়ে থাকেন। আযান শেষ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী পুনরায় ভাষণ দেয়া শুরু করেন।

প্রধানমন্ত্রী উত্তর-পূর্ব ভারতের তিন রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ভালো ফল করার পর তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিচ্ছিলেন।

মোদি ভাষণ দেয়ার সময় মঞ্চে বিজেপি’র সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী রাজনাথ সিং, পররাষ্ট্র মন্ত্রী সুষমা স্বরাজ, অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলিসহ বিজেপির সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এর আগেও আযান শুনে তার ভাষণ থামিয়েছিলেন। কিন্তু তা ছিল নির্বাচনি সমাবেশে ভাষণ দেয়ার সময়। এবার বিজেপি’র দলীয় সদর দফতরেও ভাষণ দেয়ার সময় আযান শুনে ভাষণ থামিয়ে দিলেন তিনি।

২০১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নির্বাচনি সমাবেশে ভাষণ দেয়ার সময় সমাবেশস্থল থেকে কিছুটা দূরের এক মসজিদ থেকে আযানের আওয়াজ শুনে ভাষণ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। এ সময় তিনি নিজেই শুধু নীরব হয়ে থাকেননি, সমাবেশে উপস্থিত দলীয় সমর্থকদেরও চুপ থাকার জন্য আহ্বান জানান। উপস্থিত জনতার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘ক্ষমা করবেন, আমাদের জন্য কারো উপাসনায় সমস্যা হওয়া উচিত নয়। এজন্য আমি কিছু সময় বিরতি দিয়েছি।’ নতুন বার্তা।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ