বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টায় বাংলাদেশের নিন্দা ফতোয়া ও আত্মশুদ্ধির ময়দানে মুফতি সাঈদ আহমদ রহ. সৌদিতে ১৩০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধান, দেয়ালে নবীজির নাম মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়: জমিয়ত ‘রাষ্ট্রপরিচালনার ক্ষেত্রে জনপ্রত্যাশা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে প্রাধান্য দিচ্ছে সরকার’  দাওরায়ে হাদিসের মেধাবৃত্তির অর্থ বোর্ডে পাঠিয়েছে আল-হাইআতুল উলয়া স্পিকারের সঙ্গে জার্মানির রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ অপরাধের ধরন বদলালেও পুলিশের আধুনিকায়ন সম্ভব হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্পত্তি হস্তান্তর আইন নিয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে আলেম প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সন্ধ্যার মধ্যে ৪ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

কবে নিভবে ঘৌতা নামের হাবিয়া দোজখের আগুন?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম

‘মৃত্যু উপত্যকা’, ‘দুনিয়ার নরক’ –এরকম বহু বিশেষণে অভিহিত হচ্ছে সিরিয়ার ঘৌতা এলাকা। বোমা-আগুন-বারুদ-গুলিই হয়ে উঠছে এখানকার ৪/৫ লাখ মানুষের নিত্যদিনের ললাটলিখন। বোমায় পোড়া, আগুনে পোড়া মানুষ, রক্তের বন্যা, ধ্বংসস্তূপ, জঙ্গি আর বোমারু বিমানের পিলে চমকানো আওয়াজের মধ্যে এই নরকের সীমানা কেবল বেড়েই চলেছে প্রতি পলে।

‘য পলায়তি স জীবতি’---যে পালায় সে বাঁচে। কিন্তু কী করে পালাবে? কোথায় পালাবে? কড়াই থেকে আগুনে, বাঘের মুখ থেকে হায়েনার গ্রাসে?

পালাবার পথ নেই কোনো। রুশ বাহিনী, সিরীয় বাহিনী, ইরানি মিলিশিয়া আর হিজবুল্লাহ চারদিক থেকে ঘিরে আছে দামেস্কের অতি কাছের এই ছিটমহলটিকে। কেননা তাদের ভাষায়, আলেপ্পোর পতনের পর এটাই আসাদবিরোধী আইসিস আর আল কায়েদা জঙ্গিদের সর্বশেষ ঘাঁটি। তাই কোনো ছাড় নেই। ঘৌতার গলায় তাই পুতিন-আসাদের ফাঁস আরও শক্ত হচ্ছে।

তাদের লক্ষ্যবস্তু হলো ঘাপটি মেরে থাকা আইসিস, আল কায়েদা ও আল নুসরা বাহিনী ‘খুনে দজ্জালরা’। কিন্তু শিশুরা ও নারীরা, বৃদ্ধ ও বৃদ্ধাদের অপরাধটা কি? তাদেরকেও শত্রুশিবিরের লোক গণ্য করে চলছে নির্বিচার হামলা। নাকি আসাদ-পুতিনের দৃষ্টিতে এদের মৃত্যু ‘কো-লেটারাল ডেথ’?

গত ৫ বছর ধরে চলছে এই হনন-উৎসব। বিদ্রোহীরাও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে গেছে। আর তাতে করে সাধারণ মানুষ আরো বেশি বিপন্ন। কে বিদ্রোহী আর কে নিরীহ মানুষ আলাদা করার উপায় আর নেই। অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ আকার নিয়েছে গত ৯ দিন আগে সিরীয় ও রুশ বিমানের অবিরাম হামলা শুরুর পর। এই কয়দিনে তা এক ঘণ্টার জন্যও থামেনি। এমনকি জাতিসংঘের সর্বসম্মত অস্ত্রবিরতি নামের প্রহসনের পরও।

ঘৌতায় বিমান ও রকেট হামলায় এ পর্যন্ত ঝরেছে প্রায় ৬০০ মানুষের প্রাণ। প্রকৃত সংখ্যা হয়তো এর দেড়-দুইগুণ। আহত ও পঙ্গু হয়েছে ৮ থেকে ১০ হাজারের মতো। এই হতাহতদের একটা বড় অংশ নারী-শিশু-বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, পঙ্গু, অন্ধ নিরীহ মানুষ। পুরো ঘৌতা ছিটমহলই এখন বিমান, কামান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার এক বাছবিচারহীন লক্ষ্যবস্তু। এটা কোনো

 

সূত্র: বাংলা নিউজ টুয়েন্টিফোর ডট কম/এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ