বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬ ।। ১১ চৈত্র ১৪৩২ ।। ৬ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
জামিয়াতুল উস্তায শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রাহি. ঢাকায় ভর্তি ৭ ও ৮ শাওয়াল ‘নদওয়াতুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ’য় ভর্তি শুরু আগামীকাল ‘স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার জন্য রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরী’ আল-হাইয়াতুল উলইয়া ও বেফাকে শীর্ষস্থান অর্জনকারী ‘ঢালকানগর মাদরাসা’র ভর্তি আগামীকাল ঢালকানগর মাদরাসার শাখা ‘জামিয়া আশরাফুল মাদারিস কমপ্লেক্স’-এ ভর্তি আগামীকাল মাদরাসাতুল মাদীনাহ বারিধারায় ভর্তি চলছে মাইজগাঁও দারুল উলূম ইসলামিয়া মাদরাসায় ভর্তি শনিবার, বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ দৌলতদিয়ায় বাসডুবি, ৪০ জনের মতো প্রাণহানীর আশঙ্কা ‘স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও জনগণ বঞ্চিত, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন’ নতুন বছরে ভর্তির দুর্ভোগ, একটি মর্মস্পর্শী চিত্র

রোহিঙ্গা গ্রামের শেষ চিহ্ন মুছতে এবার বুলডোজার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম, ডেস্ক: ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেশত্যাগে করানোর পর এবার রোহিঙ্গাদের শেষ চিহ্নটুকু মুছে ফেলতে বুলডোজার ব্যবহার করে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিচ্ছে মিয়ানমার সরকার।

আজ  শুক্রবার কলোরাডো ভিত্তিক ডিজিটাল গ্লোব নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া এমনই একটি ছবি প্রকাশ করেছে সংবাদ সংস্থা এপি।

যেখানে দেখা যাচ্ছে, শতাধিক জনশূন্য গ্রাম মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এপি জানায়, গত আগস্টে রোহিঙ্গাদের এসব গ্রাম জ্বালিয়ে দেয় সামরিক বাহিনী। যার ফলে লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়।

তবে মিয়ানমার সরকারের দাবি তাঁরা বিধ্বস্ত এলাকাকে পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে।

এসব গ্রামের  মধ্যে একটি হলো মিন হ্লুট। দেশ ত্যাগে বাধ্য হওয়া মিন  হ্লুটের বাসিন্দা যুবাইরিয়া নামের এক তরুণী জানান, তিনি কিছুদিন আগে তার ফেলে আসা গ্রামে গিয়েছিলেন। তিনি তাঁর গ্রামের  অবস্থা দেখে শোকে স্তব্ধ হয়ে যান। এপিকে ফোনের মাধ্যমে এসব জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘গত বছর গ্রামটি পুড়িয়ে দেওয়া হলেও কিছু অবশিষ্ট ছিল। কিন্তু এখন আর কিছুই নেই, এমনকি কোন গাছপালাও নেই। সবই শেষ। গুঁড়িয়ে দিয়েছে সবকিছু। চেনার মতো আর কিছু নেই। এখানকার পরিত্যক্ত বাড়িগুলোকে মাটির সঙ্গে সমান করে দেওয়া হয়েছে। সব স্মৃতিকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়েছে। তাঁরা সব মুছে দিয়েছে।’

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মিয়ানমার বিশেষজ্ঞ রিচার্ড উইয়ার এই ছবিটি দেখে বলেন, ‘সেখানে ক্ষেত-খামার, গাছপালা বা চেনার মতো আর কিছুই নেই। সবই মুছে ফেলা হয়েছে এবং এটি খুবই উদ্বেগজনক। কেননা এসব ছিল অপরাধের আলামত।’

গত বছর আগস্টের শেষ দিকে সামরিক বাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসে রোহিঙ্গারা। সরকারের হিসেব অনুযায়ী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ৯ লাখের ওপর।

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ