বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


সন্তানকে স্বনির্ভর হতে উদ্বুদ্ধ করুন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সাখাওয়াত উল্লাহ: আজকালের অনেক মা-বাবাই তাদের সন্তানদের জন্য সঠিক নিয়ম-নীতি নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হয়। আধুনিক যুগের সামাজিক অবস্থার কারণে অনেকেই মা-বাবা হিসেবে তাদের ভূমিকা নিয়ে দ্বিধায় থাকেন। তারা জানে শারীরিকভাবে শাস্তি দেওয়া উচিৎ নয়, তবে তারা সঠিকভাবে জানে না কিভাবে তাদের সন্তানদেরকে মানুষ করবেন। অনেক মা বাবাই তাদের সন্তানদেরকে নিজেদের পথে ছেড়ে দেয় যাতে তারা নিজেদের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে একজন ভালো মানুষ হিসেবে নিজেদেরকে গড়তে পারে। অনেকেই আবার তাদের সন্তানদেরকে একটি নির্ধারিত নিয়ম-নীতির মধ্যে রেখে দেন, যাতে করে তারা ভুল করতে না পারে।

অনেকেই নিজেদের সন্তানদের সঙ্গে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টা করে। তারা একই রকমের গান শোনে, একসঙ্গে ভিডিও গেমস খেলে। এরকম মনোভাবের কারণে মা বাবার সঙ্গে সন্তানদের সম্পর্ক ঘোলাটে হয়ে যেতে পারে, এবং অনেক সময়েই সন্তানরা নিজেদেরকে সঠিক পথে নিয়ে যেতে ব্যর্থ হয়। এজন্যই তো তাদের অভিভাবককে প্রয়োজন পরে।

তবে এর ইতিবাচক দিক হচ্ছে যে সন্তানদের সঙ্গে একটি সত্যিকারের সম্পর্ক স্থাপন করা যায়। বর্তমানে অনেক মা-বাবাই তাদের সন্তানদের সঙ্গে একটি গভীর সম্পর্ক স্থাপন করার জন্য তাদের সঙ্গে বন্ধু হিসেবে পাশে থাকে। অনেকেই বিশ্বাস করেন যে, সন্তানের সাথে শিশুকালেই যদি একটা ভালো সম্পর্ক গড়া যায় তাহলে তরুণ এবং প্রাপ্ত বয়সেও এই সম্পর্ক অটুট থাকবে।

নিজেদের সন্তানদের সঙ্গে ভালো বন্ধু হওয়ার নেতিবাচক দিক হচ্ছে তাদের জীবনে মা-বাবার ভূমিকা নিয়ে স্বচ্ছতা না থাকা। অনেক মা-বাবাই তাদের সন্তানদেরকে নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেদেরকেই নেওয়ার জন্য ছেড়ে দেয়, তবে এতে করে তারা শৃঙ্খলা শিখতে পারে না। অনেক সময়ে মা-বাবারা তাদের সন্তানদেরকে এমন কিছু করা থেকে বিরত রাখে যা তারা নিজেরাও কখনও করেনি। এতে করে অনেক মা-বাবাই তাদেরকে সঠিক পথ দেখাতে ব্যর্থ হয়। এই থেকে একটিই প্রশ্ন উত্থাপিত হয় - সকলেই যদি ভালো বন্ধু হয়ে থাকে, তাহলে কে পথপ্রদর্শক হিসেবে ভূমিকা পালন করবে? মা-বাবার সঙ্গে সন্তানদের এই ঘোলাটে সম্পর্কের কারণেই অনেক সময় সন্তানদের মধ্যে একটি বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়, এবং তারা তাদের মা-বাবার অভিভাবক হিসেবে অনেক সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়।

সন্তানদের সীমা নির্ধারণ করা : একটি হাদিসে নবী (সা.) বলেছেন, সাত বছর বয়সে নিজের সন্তানদেরকে নামাজের জন্য আদেশ দাও, দশ বছর হলে নামাজ পড়া বাধ্যতামূলক কর এবং তাদের বিছানা আলাদা করে দাও। (আবু দাউদ)

যদিও সন্তানদের জন্য বিচক্ষণ এবং বন্ধুসুলভ মা-বাবা থাকা প্রয়োজন, তবুও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখার পাশাপাশি তাদের সন্তানদের জন্য সীমানা নির্ধারণ করে দà¦