সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইসলামি বইমেলায় প্রথমবার স্থান পেল ‘শাপলা কর্নার’  স্পেনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত ইবতেদায়ি ৫ম ও দাখিল ৮ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল ক্যানসারে মারা গেলেন তরুণ আলেম মো. জুনায়েদ আল হাবিব কুমিল্লায় বাস-ড্রাম ট্রাকের সংঘর্ষ, আহত ৩০ ইসলামী ছাত্রসমাজের নতুন সভাপতি অলিউল্লাহ আরজু, মহাসচিব ঈসা খান ঢাকায় হেফাজতের জরুরি সভা, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সংশোধনের দাবি ‘নারীর অধিকারকে রাজনৈতিক হাতিয়ার করা হলেও প্রকৃত অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি’ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কনসার্ট নিয়ে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের সঙ্গে সমঝোতা সোমালিয়ার শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে রাবেতার মহাসচিবের বৈঠক

মিয়ানমারে এখনো হত্যা বন্ধ হয় নি: অ্যামনেস্টি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বহুদিন ধরে চালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিধন, ধরপাকড় ও যৌন নির্যাতন এখানো বন্ধ হয় নি বলে জানায় অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। বুধবার অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহে শত শত রোহিঙ্গা মিয়ানমারের সেনাদের সহিংসতার শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসছে। উত্তর রাখাইনে এখনো বিধ্বংসী কার্যক্রম চালাচ্ছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।

অ্যামনেস্টির জ্যেষ্ঠ পরামর্শক ম্যাথু ওয়েলস বলেন, কর্তৃপক্ষ মিথ্যে অজুহাত দেখিয়ে এটি অস্বীকার করছে এবং সেখানে স্বাধীন তদন্ত করতে বাধা দিচ্ছে। মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিকভাবে জোরালো কোন পদক্ষেপও দেখা যাচ্ছে না। মিয়ানমার অবশিষ্ট রোহিঙ্গাদের তাড়াতে নীরব দমন-পীড়ন নীতি কাজে লাগাচ্ছে ও তাদের বাংলাদেশে যেতে বাধ্য করছে।

অ্যামনেস্টি দাবি করে, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ সেখানে কৃত্রিম খাদ্য সংকট সৃষ্টি করছে, রোহিঙ্গারা অনাহারের শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে যাচ্ছে। নতুন করে বাংলাদেশে আসা কয়েকজন রোহিঙ্গা জানান, সেনা বাহিনী নভেম্বর ও ডিসেম্বরের মত চাষের মাসে মাঠে প্রবেশে বাধা দিয়েছে। এছাড়া স্থানীয় মার্কেট পোড়ানোসহ রোহিঙ্গাদের সেখানে যেতে বাধা দেয়া হচ্ছে। যা সেখানে রোহিঙ্গাদের বেঁচে থাকা অসম্ভব করে তুলেছে।

এছাড়া অ্যামনেস্টির সাম্প্রতিক ডকুমেন্টারিতে বলা হয়, মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে নারী এবং কিশোরিদের ওপর যৌন নির্যাতন, ধর্ষণ চালানোর প্রমাণ মিলেছে। রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা পরিবারগুলো বলছে তারা নিপীড়নের ভয়ে ভীত হয়ে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছে।

সূত্র: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল.ওআরজি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ