মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ ।। ২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ১৫ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা ইরানের সঙ্গে চুক্তি সই হয়েছে, বিস্তারিত শিগগির প্রকাশ হবে: ট্রাম্প সৌদি আরবে হিজরি নববর্ষ শুরু, ২৫ জুন পবিত্র আশুরা ৩ ঘণ্টা পর ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ‘সংসদীয় আসনসমূহে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের খবরটি অসত্য ও বিভ্রান্তিকর’ সংসদে নারীদের বোরকা-হিজাব নিয়ে মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া হেফাজতের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ওমরাহ পালনে রেকর্ড, পরিসংখ্যান জানালো সৌদি আরব সব ধর্ষণই সমান অপরাধ, ছোট-বড় সংজ্ঞা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাসড়কে চলা অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: সংসদে মন্ত্রী

তিনি ক্যান্সার রোগীদের বিনা পয়সায় গন্তব্যে পৌঁছে দেন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার  ইসলাম: 
ক্যান্সার রোগীর খোঁজে রাস্তায় অপেক্ষায় থাকেন এই অটোরিকশা চালক! সামনে তেমন কাউকে পেলেই হলো। বিনা পয়সায় সেই রোগীকে হাসপাতাল, বাড়ি বা যেকোন গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ায় তার কাজ। তিনি ভারতের আগরতলার ডুকলি পঞ্চায়েতের ঘোষপাড়ার হারাধন দাস বৈদ্য।

সংসারে ভরপুর মানুষ। কিন্তু প্রতি বৃহস্পতিবার বাড়ির খরচের কথা ভাবেন না তিনি। শহরের নাগেরজলা, রাধানগর বা চন্দ্রপুর বাসস্ট্যান্ডের কাছে অটোরিকশায় অপেক্ষা করেন কোনও ক্যান্সার রোগীর।

হারাধন বলেন, এক দিন দেখি বাসস্ট্যান্ড দু’জন দাঁড়িয়ে। এক জনের গলায় কেমোথেরাপির দাগ। ওদের ধরে অটোরিকশায় তুলে নিই। হাসপাতালে পৌঁছনোর পর টাকা না নেওয়ায় অবাক হয়েছিলেন তারা। প্রাণভরে আশীর্বাদ করেন। এটাই বড় প্রাপ্তি।

ওই অটোরিকশা চালকের বক্তব্য, ক্যানসার একটা পরিবারকে কী ভাবে শেষ করে দেয়, তা দেখেছি। এক দিকে শারিরীক যন্ত্রণা, অন্য দিকে আর্থিক। এ ভাবেই তা-ই ওদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি।

এ কাজে তার বন্ধু অটোরিকশা। সেটিতে পোস্টার লাগিয়েছেন হারাধন। লিখে দিয়েছেন তার ফোন নম্বরও। কিন্তু তেমন ভাবে সাড়া না মেলায় হতাশ তিনি।

তার কথায়, অনেকে বিশ্বাসই করতে চান না যে বিনা ভাড়ায় ক্যান্সার রোগীদের গন্তব্যে পৌঁছে দিই। হারাধন জানান, এখনও পর্যন্ত শ’খানেক রোগীকে হাসপাতালে পৌঁছেছেন। তার এই সেবার খবর জানাতে সম্প্রতি তিনি বিজ্ঞাপন লাগানোর চেষ্টা করছেন।

এ কাজে সাহায্যের জন্য ত্রিপুরা ক্যান্সার হাসপাতাল সুপারের কাছে ফোন নম্বর দিয়ে রেখেছেন হারাধন। কোনও রোগীর প্রয়োজনে ঐ নম্বরে ফোন করলেই হাজির হন তিনি।

তিনি বলেন, ‘রোগীদের আশীর্বাদই আমার পুরস্কার। আর কিছু চাই না। আমার স্ত্রী, ছেলেও এ বিষয়ে একমত।’


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ