শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ব্যতীত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ বর্তমান সমাজে বিয়েকে ক্রমেই কঠিন করে তোলা হচ্ছে কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার

‘পৃথিবীতে দেওবন্দের মতো প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন আছে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

তাওহীদ মাদানী
দারুল উলুম দেওবন্দ, ভারত

আজ দারুল উলুম দেওবন্দে জার্মান দূতাবাসের দুই সদস্য বিশিষ্ট একটি দল আগমন করে। তারা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল শিক্ষকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন৷

শিক্ষকগণ তাদের মাদরাসার বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরিয়ে দেখান এবং তাদের সঙ্গে নানা বিষয়ে পর্যালোচনা করেন৷ এ সময় দারুল উলুমের চিন্তা-চেতনাও তাদের সামনে তুলে ধরেন।

জার্মান দূতাবাসের প্রতিনিধি দল দারুল উলুমের মোহতামিম মুফতী আবুল কাসেম নোমানী এবং জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সদর আল্লামা কারী সাইয়েদ ওসমান মানসুরপুরি সাহেবের সাথে সাক্ষাৎ করেন৷

দেওবন্দে এসে জার্মান দূতাবাসের ডেপুটি চিফ ড. জেসপারবিক এবং তার সহকর্মী অনিত বিসলের দেওবন্দের কুতুবখানা ও নতুন-পুরাতন ভবনগুলো পরিদর্শন করেন৷

দেওবন্দের মুহতামিম মফতী আবুল কাসেম নোমানী মেহমানদেরকে দেওবন্দের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য বলতে গিয়ে বলেন, দেওবন্দ থেকে প্রতি বছর অগণিত শিক্ষার্থী গ্রাজুয়েট করে দুনিয়ার আনাচে-কানানাচে ছড়িয়ে গিয়ে দীন ও ইসলামের খেদমত করছে৷ দীন ও ইসলামের পতাকা সমুন্নত করছেন৷

তিনি আরও বলেন দেওবন্দে বর্তমানে পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। যাদের থাকা ও খাওয়াসহ সার্বিক দারুল উলুমই করে থাকে। দারুল উলুম দেওবন্দ সরকারের কোনো সাহায্য নেয় না৷ আল্লাহর উপর আস্থা ও বিশ্বাসই এই প্রতিষ্ঠানের সম্বল৷

জার্মান দূতাবাসের ডেপুটি চিফ বলেন, আমি বিশ্বের বহু রাষ্ট্রে দায়িত্ব পালন করেছি৷ সব জায়গায় আমি দেওবন্দের প্রসিদ্ধি ও সুনাম-সুখ্যাতি শুনেছি৷ আমি ভারতে আসার পরপরই এ প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের আগ্রহ আমার মাঝে জেঁকে বসে৷ দীর্ঘদিন যা অপূরণীয়ই ছিলো। আজ আমার সেই আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হলো।

তিনি আরো বলেন, আমার এও জানা আছে দারুল উলুম দেওবন্দ এমন একটি প্রতিষ্ঠান যার দৃষ্টান্ত উক্ত প্রতিষ্ঠান নিজেই৷ দারুল দেওবন্দের শিক্ষকদের সাথে সাক্ষাৎ করে আমার হৃদয়ে অনেক প্রশান্তি লাভ হয়েছে৷ আত্মতৃপ্তি লাভ করেছি এখানে এসে৷

তিনি আরো বলেন, ইসলামের পতাকাকে সমুন্নত করার জন্য এমন একটি প্রতিষ্ঠান খুবই জরুরি৷


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ