শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ব্যতীত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ বর্তমান সমাজে বিয়েকে ক্রমেই কঠিন করে তোলা হচ্ছে কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার

রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘ মহাসচিবের ফোন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রোহিঙ্গা ইস্যুতে কথা বলতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করেছিলেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, শনিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে টেলিফোন করেন জাতিসংঘ মহাসচিব।

তিনি জানান, এ সময় দুজনের মধ্যে প্রায় ২০ মিনিট আলোচনা হয়। দীর্ঘ আলোচনায় রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন জাতিসংঘ মহাসচিব। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও অন্যান্য সেবা দেয়ায় বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

প্রেস সচিবের ভাষ্যমতে গুতেরেসকে শেখ হাসিনা বলেন, ‘‘জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের নিজ ভূমিতে যাতে ফিরে যেতে পারে সেজন্য উপায় বের করতে ইতোমধ্যেই মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ শুরু করেছে বাংলাদেশ।’’

গুতেরেসকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আপনি খুব ভালোভাবে জানেন, সমস্যার মূল মিয়ানমারে এবং সেখানেই এই সংকটের সমাধান পাওয়া যাবে।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুতেরিসকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে ৫ দফার কথা স্মরণ করিয়ে দেন।

জাতিসংঘে উপস্থাপন করা ৫ দফা হলো-

১। মিয়ানমারকে অবশ্যই রাখাইন রাজ্যে অবিলম্বে এবং চিরতরে নিঃশর্তভাবে সন্ত্রাস এবং জাতিগত নিধন বন্ধ করতে হবে।

২। জাতিসংঘ মহাসচিব মিয়ানমারে অবিলম্বে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন পাঠাবে।

৩। ধর্ম এবং জাতীয়তা নির্বিশেষে মিয়ানমারকে অবশ্যই সকল বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে মিয়ানমারের ভেতরে এ জন্য ‘নিরাপদ অঞ্চল’ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

৪। বলপূর্বক তাড়িয়ে দেয়া সকল রোহিঙ্গা নাগরিককে বাংলাদেশ থেকে টেকসই প্রত্যাবর্তন মিয়ানমারকে নিশ্চিত করতে হবে।

৫। কপি আনান কমিশন রিপোর্ট পুরোপুরি অবিলম্বে নিঃশর্তভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ