সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :

যেমন আছেন আরকানের বয়োবৃদ্ধ মুহাদ্দিস মাওলানা নুরুল ইসলাম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হাফেজ মুফতি রিদওয়ানুল কাদির
আওয়ার ইসলাম

মাওলানা নুরুল ইসলাম। মিয়ানমারের আরেকজন বয়োবৃদ্ধ মজলুম মুহাদ্দিস। আজ এই প্রবীণ মুহাদ্দিস সম্পর্কে সামান্য আলোচনা করবো। যার পুরো জীবন অনেক কষ্ট আর সংগ্রামে ভরপুর।

শৈশবকাল
মাওলানা নুরুল ইসলামের জন্ম বার্মার উত্তর মংডুর সিংগিরপাড়া গ্রামে। এখানেই বেড়ে উঠেছেন তিনি।

পড়ালেখা
পারিবারিক আবহে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্তির পর লেখাপড়া করেছেন বার্মার বিভিন্ন প্রসিদ্ধ দ্বীনি বিদ্যাপীঠে। এরপর উচ্চশিক্ষা লাভের মহান ব্রত নিয়ে হিজরত করেন বাংলাদেশে। ভর্তি হন দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ দ্বীনি বিদ্যাপীঠ আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়ায়।

১৩৯৯ হিজরীতে জামিয়া পটিয়ায় দ্বীনি শিক্ষার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদীস সমাপ্ত করেন।

শিক্ষকবৃন্দ
জামিয়া পটিয়ায় তিনি যেসব মহীরুহের সান্নিধ্য পেয়েছিলেন, তন্মধ্যে খতীবে আযম আল্লামা সিদ্দিক আহমদ রহ., আল্লামা ইমাম আহমদ রহ., আল্লামা আমীর হোসাইন প্রকাশ মীর রহ., আল্লামা আলী আহমদ বোয়ালভী রহ., ফকীহুল মিল্লাত আল্লামা মুফতী আব্দুর রহমান রহ., আল্লামা নুরুল ইসলাম কদীম রহ. প্রমুখ অন্যতম।

কর্মজীবন
বাংলাদেশে পড়ালেখার পাঠ চুকিয়ে দ্বীন প্রচারের মহান ব্রত নিয়ে পাড়ি জমান স্বদেশ বার্মায়। যোগদান করেন বার্মার প্রসিদ্ধ দ্বীনি বিদ্যাপীঠ জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম, মিয়াজামপুর, উত্তর মংডু। সেখানে দীর্ঘদিন দরসে-তাদরিসের খেদমত আঞ্জাম দেন।

হাদীসের খেদমতে
মিয়াজামপুর মাদরাসায় তিনি সিহাহ সিত্তার কিতাবসহ অসংখ্য কিতাবের দরস দান করেন। তহাবী শরিফ, মুল্লা হাসান, শরহুল আকায়িদিন নাসাফিয়্যাহ, সুল্লামুল উলুম, মায়বুজীসহ আরো অসংখ্য জটিল ও দুর্বোধ্য কিতাবের দীর্ঘদিন অত্যন্ত সুনামের সাথে দরস দেন।

এছাড়া মাঝখানে দুই বছর তিনি বার্মার আরেকটি প্রসিদ্ধ বিদ্যাপীঠ মাদরাসা রশিদিয়া চালিপ্রাং এ খেদমত করেন। সেখানে তিনি সর্বাধিক বিশুদ্ধ হাদীসগ্রন্থ বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, তিরমিজি শরিফের পাঠদান করেন।

তার ছাত্রের ফিরিস্তিও অতি দীর্ঘ। যারা বার্মায় বিভিন্ন দ্বীনি খেদমতে আত্মনিয়োগ করেছিলো।

মাদরাসা পরিচালনা
বার্মার শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম, মিয়াজামপুরে তিনি দীর্ঘদিন যথেষ্ট সুনামের সাথে পাঠদানে ব্যাপৃত হন। অবশেষে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ তার কর্মকাণ্ডের উপর সন্তুষ্à