আওয়ার ইসলাম : আজ ঢাকার জামিয়া হোসাইনিয়া ইসলামিয়া আরজাবাদে তাবলিগ জামাত ও তাবলিগের আমির মাওলানা সা’দ হাফিজাহুল্লাহ-এর ব্যাপারে জাতীয় পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরামর্শ সভায় অংশগ্রহণ করেন দেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরাম। বৈঠকে আলেমগণ ৪টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তেও উপনীত হয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় শুরু হয়ে বৈঠকটি শেষ হয় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে।
একাধিক সূত্রে জানা যায়, শুরুতেই বৈঠকের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করে বলা হয় তাবলিগ জামাত উলামায়ে দেওবান্দের পরিশ্রমের ফসল। হজরত মাওলানা ইলিয়াস রহ. দারুল উলুম দেওবন্দেরই সন্তান। শুরু থেকে দেওবন্দি উলামাগণ তাবলিগ জামাতের নেতৃত্ব দিয়েছেন। অভিভাবক হিসেবে কষ্ট করেছেন। ইলিয়াস রহ. তার বয়ান, বক্তৃতা ও তার প্রণীত মূলনীতিতে বলেছেন, আলেমগণের পরামর্শেই জামাত পরিচালিত হবে।
কিন্তু তাবলিগ জামাতের বর্তমান আমির মাওলানা সা’দের কিছু বক্তৃতা ও কাজের ব্যাপারে দারুল উলুম দেওবন্দ আপত্তি জানায় এবং এ ব্যাপারে মাওলানা সা’দ-এর কাছে ব্যাখ্যা দাবি করে। কিন্তু তিনি সন্তোষজনক কোনো উত্তর দেন নি এবং নিজের বক্তৃতা প্রত্যাহারও করেন নি। ফলে দারুল উলুম দেওবন্দ তার ব্যাপারে পূর্ব ঘোষিত ফতোয়া বহাল রাখে।
সে প্রেক্ষিতে গত বছর ইজতেমার পূর্বে আল্লামা আশরাফ আলীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের শীর্ষ আলেমদের একটি দল তাবলিগের প্রধান কেন্দ্র কাকরাইল যান এবং মাওলানা সা’দ-এর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তাকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ না করার আহবান জানান। তারা উলামায়ে কেরামকে মাওলানা সা’দকে না আনার ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন। কিন্তু মাওলানা সা’দকে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে আনা হয় এবং তাকে ইজতেমায় একাধিক বয়ানের সুযোগ করে দেয়া হয়।
ইজতেমা পরবর্তীতে আলেমদের একটি প্রতিনিধি দল আবারও তাবলিগি মুরব্বিদের সঙ্গে বসেন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে। তাদেরকে সঙ্গে চলমান সংকট নিয়ে আলোচনা করেন।
তখন সিদ্ধান্ত হয় কাকরাইলের শুরা সদস্যগণ আলেমদের বক্তব্য জানার জন্য ‘ইস্তেফতা’ (ফতোয়া চাওয়া) করবে অর্থাৎ উলামায়ে কেরামের বক্তব্য ও তার যৌক্তিকতা সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে জানতে চাইবে। এ ব্যাপারে উলামায়ে কেরামের যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে তা তারা মেনে নিবেন। কিন্তু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও কাকরাইল ইস্তেফতা করে নি।
তাদের ইস্তেফতার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেয়া এবং এ ব্যাপারে জাত