আওয়ার ইসলাম: বাংলাদশের র্শীষ ক্যালিগ্রাফি শিল্পী আরিফুর রহমান। দেশ-বিদেশে যিনি বাংলাদেশের ক্যালিগ্রাফি শিল্পের সগৌরব প্রতিনিধিত্ব করছেন বহুকাল যাবত। সম্প্রতি তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে তুরস্কের একটি প্রদর্শনীতে সরাসরি আমন্ত্রণ পান এবং সবচেয়ে সুন্দর স্টল হিসেবে প্রশংসা অর্জন করেন। এর আগে প্রথম বাংলাদেশি ক্যালিগ্রাফি শিল্পী হিসেবে ইরানে আমন্ত্রিত হন তিনি।
আরিফুর রহমান ‘বাংলাদেশ ক্যালিগ্রাফি একাডেমি’র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং র্বতমান চেয়ারম্যান। দেশে এবং দেশের বাইরে ৬টা একক প্রর্দশনীর আয়োজন করেন এবং ২১টা যৌথপ্রর্দশনীতে তার একাধিক শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। সহস্রাধিক ক্যালিগ্রাফি শিল্পকর্মের স্রষ্টা তিনি।
শিল্পী আরিফুর রহমান ১৯৫৯ সালে বরিশালে জন্ম গ্রহণ করনে। স্কুলেই নেন প্রাথমিক শিক্ষা।এরপর লালবাগ জামিয়ায় হিফজ সম্পন্ন করনে। ইতিমধ্যে শুরু হয় ৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ। যুদ্ধে জামিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নিজ গ্রামে চলে যান। সেখানে আবার পটুয়াখালীর বাউফলরে একটি স্কুলে ৮ম শ্রেণির ভর্তি হন।
ইন্টারমডিয়িটে শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজ বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন। এ বিভাগ থেকে ১৯৮৪ সালে মার্স্টাস সম্পন্ন করেন। প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়া সমাজ বিজ্ঞানে হলেও তিনি হয়ে উঠেছেন দেশের অন্যতম সেরা ক্যালিগ্রাফি শিল্পী। তার এই শিল্পী ওয়ে ওঠার গল্প, বাংলাদেশের ক্যালিওগ্রাফি শিল্পের বর্তমান-ভবিষ্যত ও তার সাম্প্রতিক ইস্তাম্বুল সফরের বিবরণ তুলে এনেছেন আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের বার্তা সম্পাদক রকিব মুহামম্দ।
[caption id="attachment_43696" align="aligncenter" width="500"]
শিল্পীর সঙ্গে কথা বলছেন রকিব মুহাম্মদ[/caption]
আওয়ার ইসলাম : ক্যালিগ্রাফির সাথে কিভাবে জড়িয়ে পড়লেন?
আরিফুর রহমান : ছোটবেলা থেকেই লেখালেথি ও আঁকাআঁকির অভ্যাসটা ছিল আমার মধ্যে। একসময় দৈনিক পূর্বদেশ, ইত্তেফাক, বাংলাদেশ টাইমস, অবজারবার আরো অনেক পত্রিকায় নিয়মিত ছড়া-কবিতা, গল্প লিখেছি। সাথে সাথে আঁকাআঁকিও করতাম। আমরা প্রাকৃতিক দৃশ্যের ছবিই বেশি আঁকতাম। কারণ, আব্বা ছোটবেলা থেকেই্ একটা জিনিস আমাদের মনে গেঁথে দিয়েছিলেন যে প্রাণীর ছবি আঁকতে ইসলামের বারণ আছে। আমি বিভিন্ন সময় আমি দৈনিক মিল্লাত, দিনকাল, জনতা এই ৩টা পত্রিকাতে স্টাফ আর্টিস্ট হিসà§