শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সিলেটের জামেয়া আশরাফিয়া ইসলাম নগর মাটিজুড়ার বার্ষিক মাহফিল ৮ নভেম্বর ইসলামী যুব আন্দোলন খুলনা মহানগরের সভাপতি আব্দুর রশিদ, সম্পাদক মুফতি মঈনুল ইসলাম রাজধানীতে বৈশাখী পরিবহনের বাসে আগুন  বৃষ্টি নিয়ে আবারও সতর্কবার্তা আবহাওয়া অধিদপ্তরের গণভোট নিয়ে জনগণের সঙ্গে গাদ্দারি করেছে সরকার: আমিরে মজলিস জুহাইমানের দখলে কাবা, দুই সপ্তাহ বন্ধ ছিল জুমার খুতবা দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামায় প্রিমিয়ার লিগের উদ্বোধন বাবুনগর মাদরাসার মাহফিলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবি শ্রমিক মজলিসের জামিয়া কাসিমুল উলূমের ৮৫তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল ৭ নভেম্বর  

আলিম ফল প্রত্যাশীদের সেশনজটমুক্ত অনার্স ভাবনা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শাহনূর শাহীন: আগামী ২৩ জুলাই এইসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল দেয়া হবে। এবছর এইসএসসি পরীক্ষায় কারিগরীসহ অন্যান্য আটটি সাধারণ বোর্ড থেকে মোট ৯ লাখ ৮২হাজার ৭৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়ার পাশাপশি মাদরাসা শিক্ষোবোর্ড থেকে ৯৯হাজার ৩২০ জন শিক্ষার্থী আলিম পরীক্ষায় অংশ নেয়।

প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্যই মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক লেভেলের পর ইন্টামিডিয়েট লেভেল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ইন্টারমিডিয়েট লেভেলে যেমন ভালো রেজাল্ট প্রত্যাশা থাকা চাই তেমনি পরবর্তী সময়ে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত বেছে নেয়া চাই। এক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি। কেননা এই সময়টা ক্যারিয়ারের জন্য টার্নিং পয়েন্ট।

একজন মাদরাসা থিক্ষার্থীর আজন্ম লালিত স্বপ্ন কিংবা মা বাবার চিরচেনা বাক্য তাদের সন্তান মাদরাসায় পড়াশোনা করে একজন যোগ্য আলেম হবে। ধর্মীয় শিক্ষায় সর্বোচ্চ জ্ঞান অর্জন করে নিজের, পরিবারে এবং দেশ ও জাতির সেবা করবে। এজন্য আলিম পরীক্ষা পরবর্তী সময়টা একজন শিক্ষার্থীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়।

এই সময়টাতে এসে একজন শিক্ষার্থীকে পড়াশুনার পাশাপাশি পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থার কথা ভাবতে হয়। ফলে এ সময়ে বাকি পড়াশুনার দীর্ঘ পথে অহেতুক দীর্ঘসূত্রতা প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে আলাদা করে ভাবায়।

বাংলাদেশে আলিয়া মাদরাসা শিক্ষাব্যাবস্থায় প্রাথমিক লেভেল থেকে ইন্টারমিডেয়েট পর্যন্ত বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ ও সাটিফিকেট প্রদান করা হয়। এরপর উচ্চতর পড়াশোনায় ফাযিল কামিল কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত হতো। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব একাডেমিক পড়াশোনা ও প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম ঠিক রেখে বাড়তি কোনো দায়িত্ব পালন করা বেশ কঠিনই। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকেও ভীষণ বেগ পোহাতে হয়।

কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কেও তেমন বেগ পোহাতে হয়েছে। আধুনিক শিক্ষার সাথে তাল মিলিয়ে ফাযিল কামিল পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষায় উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের জন্য অনার্স মাস্টার্স করার অভিপ্রায় থেকে কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয় হলো প্রথম পছন্দ। সেক্ষেত্রে বিশাল সংখ্যক শিক্ষার্থীদের চাপ সামলে সারাদেশের ফাযিল কামিল শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা গ্রহণ, সনদ প্রদান ও অনার্সের কার‌্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ে।

সেশন জটের কবলে পড়ে অনেক শিক্ষার্থীর স্বপ্ন ভঙ্গ হয়। আর এ সেশন জট থেকে মুক্ত হয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু à