শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশপ্রেম দেখাতে শব্দ চয়নে সতর্ক বার্তা মুফতি শামাইল নদভীর ‘কওমি সনদের স্বীকৃতি শুধু কাগজে নয়, পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে’ ময়মনসিংহে ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমীয়্যাহর উদ্যোগে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সোমবার জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন আজ কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  কুরআন-হাদিসের আলোকে জামাতের গুরুত্ব গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের ইস্যুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী  দাওয়াতি কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ সিলেটে ৩ হত্যাকাণ্ডে নিহত স্বামী-স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন

ঘৃতকুমারীর শরবত কোষ্ঠকাঠিন্য ও খুশকির ভালো ঔষধ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : ঘৃতকুমারী কোষ্ঠকাঠিন্য ও খুশকির ভালো ওষুধ।গোটা বিশ্ব জুড়ে এই গাছের জুস বা রস ক্যাপসুল বা জেলের আকারে বিক্রি হচ্ছে। এই জেলের ভেতরে আছে ২২অ্যামিনো অ্যাসিড যা থেকে বিজ্ঞানীরা বলেন প্রাণের সৃষ্টি। মেছতা দূর করার আরেকটি উপাদান হলো এলোভেরা বা ঘৃতকুমারী পাতার জেল। এই জেলের রয়েছে ত্বকের যাবতীয় সমস্যা দূর করার ক্ষমতা। ডায়েরিয়া সারাতেও ঘৃতকুমারীর রস দারুণ কাজরে। ঘৃতকুমারীতে রয়ছে ২০ রকমের খনিজ। মানবদেহের জন্য যে ২২টা এমিনো এসিড প্রয়োজন তার ৮ টি এতে বিদ্যমান।

এছাড়াও ভিটামিন A, B1, B2, B6, B12, C এবং E রয়েছে। ঘৃতকুমারী পাতার রস, ২-৪ চামচ করে দিনে একবার খেলে যকৃতের ক্রিয়া বৃদ্ধি করে৷ একজিমা ঘৃতকুমারী শাঁস প্রতিদিন নিময়ম করে কয়েক সপ্তাহ লাগালে চুলকানি খেকে আরাম পাওয়া যায়৷কোমরে ব্যথা হলে শাঁস অল্প একটু গরম করে মালিশ করলে আরাম পাওয়া যায় ৷

মিসরীয় লোককাহিনী থেকে জানা যায়, সৌন্দর্যবর্ধন করে যে প্রকৃতিকন্যা তার লাতিন নাম এলোভেরা ওরফে ঘৃতকুমারী। ঘৃতকুমারী পাতার রস যকৃতের জন্য উপকারী।বাংলায় নাম তরুণী ঔষধি গাছ হিসারে এর অনেক কদর। তবে বাংলার মানুষ একে ঘৃতকুমারী নামেই বেশী চিনে। এর আর একটি নাম আছে তা হলো কুমারী । দেহ থেকে ক্ষতিকর পদার্থ অপসারণে ঘৃতকুমারীর রস একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক ঔষধির কাজ করে। ঘৃতকুমারীর রস হাড়ের সন্ধিকে সহজ করে এবং দেহে নতুন কোষ তৈরি করে। এছাড়া হাড় ও মাংশপেশির জোড়াগুলোকে শক্তিশালী করে। এক চামচ ইসবগুলের ভুসি ও দুই চামচ অ্যালোভেরার রস পানির সঙ্গে মিশিয়ে খেয়েই দেখুন। বাড়তি মেদ পালানোর পথ পাবে না। দূর হবে বাতের ব্যথাও। অ্যালোভেরার রস মাথার তালুতে ঘষে এক ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। চুল গজাবে। মধুর সঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগালে ত্বকের দাগ দূর করে ত্বক করে তুলবে আরও উজ্জ্বল।

উপকরণ:  ঘৃতকুমারী বা অ্যালোভেরা ১টি, পানি ১ গ্লাস, মধু ১ চা-চামচ,বিট লবণ ,কাঁচা মরিচ

প্রণালি:  ঘৃতকুমারীর ( এর জেল বা শাস চামচ দিয়ে বের করে আনুন।) ভেতর থেকে শাঁস নিয়ে পানি, মধু,বিট লবন,কাঁচা মরিচ দিয়ে মিশিয়ে ব্লেন্ড করুন।আপনার পছন্দ মত টেস্ট চেঞ্জ করতে পারেন। কাঁচা মরিচের বদলে লেবু আর গোল মরিচ এর গুড়া দিতে পারেন।

-এজেড


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ