শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ ।। ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ব্যতীত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ বর্তমান সমাজে বিয়েকে ক্রমেই কঠিন করে তোলা হচ্ছে কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার

আধুনিকায়ন অভাবে সাত বছরে দাখিলে শিক্ষার্থী কমেছে ২ লাখ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সাইফ সুজন: প্রাথমিক থেকে শুরু করে উচ্চশিক্ষাসহ সব স্তরে শিক্ষার্থী সংখ্যা বাড়লেও মাদরাসা শিক্ষায় দাখিল পর্যায়ে (মাধ্যমিক সমমান) শিক্ষার্থী সংখ্যা কমছে। মাদরাসা শিক্ষার এ পর্যায়ে গত সাত বছরে শিক্ষার্থী কমেছে প্রায় দুই লাখ। মাদরাসা শিক্ষাকে যুগোপযোগী করার কথা বলা হলেও বাস্তবে তার অগ্রগতি নেই। বিজ্ঞানশিক্ষায় বেশ পিছিয়ে মাদরাসা বোর্ডের অধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৭-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালে মাদ্রাসা শিক্ষায় দাখিল পর্যায়ে শিক্ষার্থী ছিল ২৪ লাখ ৪৪ হাজার ৫৬৮ জন। ২০১৬ সালে এসে এ পর্যায়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ২২ লাখ ৫১ হাজার ১৯৩। এ হিসাবে গত সাত বছরে দাখিল পর্যায়ে শিক্ষার্থী কমেছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৭৫ জন।

বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) ‘এডুকেশন স্ট্যাটিসটিকস-২০১৫’র তথ্য অনুযায়ী, দেশে মাদ্রাসা শিক্ষায় পাঠদানরত শিক্ষক রয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ৩৩ জন। মাদ্রাসা শিক্ষায় পাঠদানরত শিক্ষকদের ৮০ শতাংশই অপ্রশিক্ষিত। সংশ্লিষ্টদের মতে, যোগ্য ও দক্ষ শিক্ষকের অভাবের প্রভাব পড়ছে শিক্ষার্থীদের ফলাফলে।

এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দেশের ৭৫ শতাংশ মাদরাসায় কোনো বিজ্ঞানাগার নেই। এতে বিজ্ঞান বিষয়ে ব্যবহারিক শিক্ষাগ্রহণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো না থাকায় দাখিল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানশিক্ষায় অংশগ্রহণের হার অনেক কম, মাত্র ১০ শতাংশ। এছাড়া ৪২ শতাংশ মাদ্রাসা এখনো মাল্টিমিডিয়া সুবিধার বাইরে।

চলতি বছর খারাপ ফল করায় ৫০৮টি মাদ্রাসাকে কারণ দর্শাতে বলেছে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক একেএম সাইফ উল্যাহ বলেন, ‘মাদরাসা শিক্ষায় সার্বিকভাবে অংশগ্রহণের হার সন্তোষজনক। কিন্তু মানসম্মত শিক্ষক, পর্যাপ্ত অবকাঠামোসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে না পারায় এসব শিক্ষার্থী ধরে রাখা যাচ্ছে না।’

সূত্র: বণিক বার্তা


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ