শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ব্যতীত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ বর্তমান সমাজে বিয়েকে ক্রমেই কঠিন করে তোলা হচ্ছে কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার

মিয়ানমারে প্রকাশ্যে নামাজ আদায়ে রাষ্ট্রীয় বাধা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : ইয়াঙ্গুনে বন্ধ একটি মাদরাসার সামনে প্রকাশ্যে তারাবির নামাজ আদায় করায় তিনজন মুসল্লির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি অন্য মুসল্লিদের সতর্ক করা হয়েছে তারা যেন প্রকাশ্যে রাস্তায় নামাজ আদায় না করেন।

এ সংবাদে উদ্বেগ জানিয়েছেন মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াসের এশিয়া বিষয়ক উপ পরিচালক ফিল রবার্টসন।

তিনি বলেছেন, গত ৩১ শে মে যেসব মুসলিম নামাজ আদায় করেছেন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ও বিচার করার হুমকি দিয়েছেন কর্মকর্তারা। এতেই প্রমাণ হয় যে, মিয়ানমার সরকার ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় ব্যর্থ। অনলাইন দ্য ইরাবতী ও অন্যান্য মিডিয়ায় এ খবর প্রকাশ পেয়েছে।

এতে বলা হয়, মুসলিমদের বিরুদ্ধে উগ্র বৌদ্ধরা এপ্রিলে অভিযোগ আনে যে, মুসলিম অধিবাসীরা অবৈধভাবে ওইসব স্থান ব্যবহার করে নামাজ আদায় করছে। এরপরই এপ্রিলের শেষের দিকে ইয়াঙ্গুন শহরের থাকেটা এলাকায় দুটি মাদরাসার একটি বন্ধ করে দেয়া হয়।

এরপর গত বুধবার ওই মাদসার বাইরে প্রকাশ্যে নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা। এ জন্য কর্তৃপকষ মোয়ে জাওউ এবং অন্য দু’জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করছে। তাদের নেতৃত্বে ওই মাদ্রাসার সামনে প্রায় ৫০ জন মুসলিম নামাজ আদায় করেছিলেন। এ কথা বলেছেন, টাউনশিপের প্রশাসক অং সান উইন। তিনি বলেন, অনুমতি ছাড়া প্রার্থনায় অংশ গ্রহণ করারয় ক্রিমিনাল কোড ১৩৩ এর অধীনে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

পবিত্র রমজানের এ নামাজে অংশ নিয়েছিলেন স্থানীয় মুসলিম হাহি টিন শয়ে। তিনি বলেছেন, থাকেটার পুলিশ প্রধান বলছেন, মুসলিমরা ইচ্ছা করে আইন ভঙ্গ করেছে।

তিনি বলেন, আমি তাদেরকে বলেছি আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে এটা করি নি। আমাদের এ শহর এলাকায় সব মুসলিম প্রতিষ্ঠান বন্ধ। আমাদের আবাসন থেকে নামাজ আদায়ের মসজিদটি অনেক দূরে। তাই আমাদের কাছে কোনো বিকল্প ছিল না। আমরা রাস্তায়ই নামাজ আদায় করেছি।

-এআরকে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ