মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ক্যাম্পাসে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান ছাত্র জমিয়তের স্মৃতির পাতায় ৫ আগস্ট ও নতুন স্বাধীনতার ভোর গুমের তদন্ত পুলিশের হাতে থাকলে ন্যায়বিচার মিলবে না: গাজী আতাউর রহমান জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মজলিসে আমেলার শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত ছাত্রদল-শিবিরের হামলার নিন্দা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সিলেট বিভাগ দিয়ে শুরু হচ্ছে বেফাক বোর্ডের মাদরাসা পরিদর্শন বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সৌদি শুক্রবার আফতাবনগরের খতমে নবুওয়াত কনফারেন্সে বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম জুলাই সনদ সামনে রেখে সংবিধান পর্যালোচনা করবে সংসদীয় বিশেষ কমিটি গুমের অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি নেজামে ইসলাম পার্টির

৫ বছরেও সন্ধান মেলেনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : পাঁচ বছর ধরে নিখোঁজ কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্র। তারা হলো,  ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল ফিকাহ বিভাগের এলএলবি চতুর্থ বর্ষের ছাত্র আল মুকাদ্দাস ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র মো. ওয়ালিউল্লাহ।

নিখোঁজদের সন্ধান চেয়ে বরিশালে সংবাদ সম্মেলন করেছে নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা। মঙ্গলবার দুপুরে বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির কনফারেন্স রুমে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নিখোঁজ মো. ওয়ালিউল্লাহর ভাই খালিদ সাইফুল্লাহ এবং আল মুকাদ্দাসের চাচা মো. আব্দুল হাই।

সংবাদ সম্মেলনে নিখোঁজ আল মুকাদ্দাসের চাচা মো. আব্দুল হাই বলেন, ২০১২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়াগামী হানিফ এন্টাপ্রাইজের ৩৭৫০ নম্বর গাড়িতে উঠেছিল মুকাদ্দাস ও ওয়ালিউল্লাহ। গাড়িটি ঢাকা থেকে নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে গেলেও রাত ১টার দিকে সাভার (নবীনগর) র‌্যাব-৪ ক্যাম্পের সামনে পৌঁছালে র‌্যাব ও ডিবির পোশাকধারী ৮/১০ জন গাড়িতে উঠে নিজেদের পুলিশ ও র‌্যাব হিসেবে পরিচয় দিয়ে তাদের নামিয়ে নিয়ে যায়।

পরে পুলিশ ও র‌্যাবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা এ বিষয়ে কিছুই জানে না বলে দাবি করে।

নিখোঁজ মো. ওয়ালিউল্লাহর ভাই খালিদ সাইফুল্লাহ বলেন, নিখোঁজদের খোঁজ না পাওয়ায় আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, পুলিশ, র‌্যাবের সঙ্গে যোগাযোগ করেও ৫ বছরে তাদের কোনও সন্ধান পাইনি।

এ বিষয়ে ২০১২ সালের ৬ ও ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার দারুসসালাম ও আশুলিয়া থানায় পৃথক দুটি জিডি করা হয়। যার নং ৩১৭ ও ৫২৫। জিডি করার পরেও তাদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনও তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি।

তাই আমরা এখন নিখোঁজদের সন্ধান ও উদ্ধারের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

-এআরকে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ