বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকা মহানগরীতে দিনের বেলায় ২ শিফটে বর্জ্য পরিষ্কারের নির্দেশ হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের নতুন কর্মসূচি বেফাকের ১২২ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিল দ্বীনি চেতনা পরিষদ মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা: বাড়ছে তেলের দাম অবহেলায় মায়ের মৃত্যু, শাস্তির মুখে সেই যুগ্ম সচিব কিশোরগঞ্জে খেলাফত ছাত্র মজলিসে যোগ দিলেন ৩৬ শিক্ষার্থী শাহজালালে ১৫০ হাজির লাগেজ কাটার অভিযোগ, তদন্তে কর্তৃপক্ষ রুমিন ফারহানার মন্তব্যের নিন্দা জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউরোপের বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি জনজীবনে নতুন সংকট তৈরি করবে: খেলাফত মজলিস গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সর্বপ্রথম রাজপথে নেমেছি আমরা: আমিরে মজলিস

দুই বিচারক হত্যায় জঙ্গি আরিফের ফাঁসি কার্যকর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

jangi_arifআওয়ার ইসলাম: ঝালকাঠিতে দুই বিচারক হত্যা মামলায় জামায়াতুল মুজাহেদিন বাংলাদেশ-জেএমবি'র সদস্য আসাদুল ইসলাম ওরফে আরিফের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে।

রোববার রাত সাড়ে ১০টায় খুলনা কারাগারে এ ফাঁসি কার্যকর করা হয়। প্রায় এক যুগ পর এই কারাগারে কোনো ফাঁসি কার্যকর হলো।

জেএমবি নেতা আসাদুল ইসলাম ওরফে আরিফের বাড়ি বরগুনা জেলা সদরে। ২০০৮ সাল থেকে আরিফ খুলনা জেলা কারাগারে বন্দি ছিল।

রাত ১১টার দিকে জেল সুপার কামরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আরিফের ফাঁসি রাত সাড়ে ১০টায় কার্যকর করা হয়েছে। এরপর তার মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- খুলনা জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসান, খুলনার উপ-কারা পরিদর্শক (ডিআইজ প্রিজন) টিপু সুলতান, খুলনা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মো. নূর-ই-আলম, খুলনার সিভিল সার্জন ডা. এএসএম আব্দুর রাজ্জাক, খুলনা জেলা কারাগারের জেল সুপার কামরুল ইসলাম, জেলার জান্নাতুল ফরহাদসহ পুলিশ ও র‌্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এর আগে রোববার সকাল থেকেই কারাগার এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হয়। দুপুর ১টা থেকে ৪টা পর্যন্ত জঙ্গি আরিফের পরিবারের ১৮জন সদস্য শেষ সাক্ষাৎ করেন। এদের মধ্যে ছিলেন- আরিফের স্ত্রী,দুই মেয়ে,তার সাত বোনের মধ্যে ছয় বোন,চার ভাতিজা এবং ভগ্নিপতিসহ মোট ১৮ জন।

জেল সুপার জানান, আরিফের স্ত্রী খাদিজা বেগম লাশ চেয়ে আবেদন করেন। কারাবিধি অনুযায়ী সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে রাত সাড়ে ১১টায় তার কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়।

এরপর আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া পাহারায় অ্যাম্বুলেন্সে করে লাশ নিয়ে বাগেরহাটে রওয়ানা হন তার স্ত্রী ও দুই মেয়ে।

আরিফের স্ত্রী জানান, বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার উদয়পুর গ্রামে আরিফের শ্বশুর বাড়িতে তার লাশ নিয়ে যাওয়া হবে এবং সেখানে তাকে দাফন করা হবে।

প্রসঙ্গত, ঝালকাঠি জেলার সিনিয়র সহকারী জজ সোহেল আহম্মেদ ও জগন্নাথ পাঁড়ের গাড়িতে বোমা হামলা চালিয়ে তাদের হত্যার দায়ে আরিফের ফাঁসির আদেশ দেন আদালত।

জেএমবি সদস্য আরিফ ২০০৫ সালের ১৪ নভেম্বর ওই দুই বিচারকের গাড়িতে বোমা হামলা চালিয়ে তাদের হত্যায় অংশ নেয়।

এরপর ২০০৬ সালের ২৯ মে এ হত্যা মামলার রায়ে ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রেজা তারিক আহম্মেদ সাতজনের ফাঁসির আদেশ দেন। এ মামলায় ইতিমধ্যে ছয়জনের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, খুলনা জেলা কারাগারে ২০০৪ সালে কুখ্যাত খুনি এরশাদ শিকদারের ফাঁসি কার্যকরের পর রোববার রাতে দ্বিতীয় আসামি হিসেবে জঙ্গি আরিফের ফাঁসি কার্যকর করা হলো।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ