বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১২ রবিউস সানি ১৪৪৮


পবিত্র হারামাইন শরিফাইন ও শিয়া সম্প্রদায়ের চক্রান্ত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

haramain4-copyমুহাম্মাদ লুতফেরাব্বী

ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভ হজ ও পবিত্র ভূমি কাবা সম্পর্কে রাফেজি শিয়াদের আকিদা :

১. ‘ইমাম হোসাইন রা. এর কবর জিয়ারত করা বিশটি হজের সমতুল্য; বরং বিশটি ওমরা ও হজ থেকে উত্তম।’

২. একবার জনৈক রাফেজি তার ইমামকে বলল, আমি উনিশটি হজ ও উনিশটি ওমরা করেছি। তার এ কথা শুনে শ্লেষমিশ্রিত কণ্ঠে ইমাম বললেন, তুমি আরো একটা হজ ও ওমরা করো; তাহলে একবার ইমাম হোসাইন রা. এর কবর জিয়ারত করার সওয়াব পাবে।

৩. ইমাম জাফর বলেন, আল্লাহ তায়ালা কাবা শরিফের মাটির কাছে এই মর্মে ওহি পাঠালেন, কারবালার তুলনায় তোমার সম্মান সমুদ্রের পানিতে ডুবানো সুঁইয়ের আগায় লেগে থাকা পানির ন্যায়। যদি কারবালা না থাকত তাহলে তোমাকে সৃষ্টি করতাম না, তাই তুমি কারবালার ক্ষুদ্র অবহেলিত লেজ হয়ে থাকো। অন্যথায় তোমার স্থান হবে জাহান্নাম। (নাউযুবিল্লাহ)

উল্লেখিত আক্বিদার কারণে শিয়াদের সব সময়ের প্রচেষ্টা ছিল হজের মওসুমে বিভিন্ন প্রকার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে হাজিদের মনে ভীতি তৈরি করা। যাতে করে হারামাইনের প্রতি মানুষের অনীহা বৃদ্ধি পায়।

অভিশপ্ত কারামেতা সম্প্রদায়

অতীত ও বর্তমান হিজরি তৃতীয় শতকের শেষদিকে পুরা মুসলিম উম্মাহর মাঝে ধর্মীয়-সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির এক সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে শিয়াদের মাঝে তিনটি গ্রুপ করা হয়। এরমধ্যে সবচেয়ে জঘন্য ছিল বাহরাইনের কারামেতা সম্প্রদায়। শিয়া পরিচয়ের আড়ালে এরা ছিল চরম ইসলামবিদ্বেষী মুরতাদ জনগোষ্ঠী। হাফেজ যাহাবি ও ইবনে কাসির রহ. তাদের জিন্দিক হিসাবে অবিহিত করেছেন। তাদের তৎকালীন নেতা আবু সাঈদ জানাবির পুত্র আবু তাহের কারমাতি দলের দায়িত্ব নেয়ার পর তার প্রধান টার্গেট বানায় হজ ও হাজিদের কাফেলাগুলোকে। এক্ষেত্রে তার প্রধান লক্ষ্য ছিল দুটি- এক, হজের বিধানকে রহিত করা। (কারণ তারা হজকে মূর্তিপুজা ও জাহেলি যুগের নিদর্শন বলে মনে করত) দুই, হাজিদের রসদ-সম্পদ লুণ্ঠন করা।

ইতিহাসের নির্মম হত্যাযজ্ঞ

১. ৩১২ হিজরি মুহাররম মাসে আবু তাহের কারমাতি তার দলবল নিয়ে হজফেরত হাজিদের পথরোধ করে তাদের উপর হামলা চালায়। অসংখ্য মানুষকে হত্যা করে এবং নারী-শিশুদের বন্দি করে। এছাড়াও হাজিদের মাল-সম্পদ লুণ্ঠন করে যার মূল্য প্রায় দশ লক্ষ স্বর্ণমুদ্রা সমপরিমাণ বলে ধারণা করা হয়। নির্মম হত্যাযজ্ঞ ও লুটতরাজের পর অবশিষ্ট লোকদের খ্যাদ্য-পানীয় বিহীন