সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৮ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৩ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
কায়কোবাদকে ফের সংসদে দেখতে চায় মুরাদনগর উপজেলা জমিয়ত ‘তিন ভাই মিলে খুন করলেন কেন?’ বিস্মিত বিচারকের প্রশ্ন ‘মোশাররফ ঠাকুরের বক্তব্য অবমাননাকর, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে’ নানুপুর মাদরাসার খতমে বুখারি ও দোয়া মাহফিল ১৬ জানুয়ারি ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ ভ্যান, দুই ভাইসহ নিহত ৩ ‘নিকাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে মোশাররফ ঠাকুরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে’ ভারতে পৌঁছালেন তালেবান-নিযুক্ত প্রথম কূটনীতিক, দিল্লি দূতাবাসে তোড়জোড় জামায়াত-শিবির কখনো ইসলামি দল হতে পারে না: সিরাত সম্মেলনে বক্তারা প্রার্থিতা ফিরে পেলেন রিকশা প্রতীকের আরও তিন প্রার্থী এলপিজি আমদানি নিয়ে বড় সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

গুলবুদ্দিনের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করল আফগান সরকার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

gulbuddinআওয়ার ইসলাম: আফগানিস্তানের সরকার ও হিজবে ইসলামি দলের নেতা গুলবুদ্দিন হেকমতিয়ারের মধ্যে শান্তি চুক্তি হয়েছে। গত দুই বছর দীর্ঘ ‘আফগানিস্তান উচ্চ শান্তি পরিষদ’ ও হিজবে ইসলামির মধ্যে আলোচনার পর এ চুক্তি করা সম্ভব হলো। চুক্তির ফলে হেকমতিয়ারের জন্য স্বাভাবিক রাজনৈতিক জীবনে ফেরার পথ সুগম হবে।
রাজধানী কাবুলে বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ চুক্তি সই হয়। অনুষ্ঠানটি আফগানিস্তানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেলে সম্প্রচার করা হয়েছে। চুক্তি সম্পর্কে উচ্চ শান্তি পরিষদের উপ প্রধান হাবিবা সোরাবি বলেন, “শান্তি আলোচনা সফলভাবে শেষ হয়েছে।”
চুক্তিতে সই করেছেন উচ্চ শান্তি পরিষদের প্রধান আহমাদ গিলানি, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মুহাম্মাদ হানিফ আতমার এবং হেকমতিয়ারের প্রতিনিধি আমিন করিম। তবে চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাস্তবায়ন করতে গেলে আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গণি ও হিজবে ইসলামি দলের প্রধান গুলবুদ্দিন হেকমতিয়ারকে এতে অবশ্যই সই করতে হবে।
১৯৮০’র দিকে আফগানিস্তানে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন সামরিক আগ্রাসন চালালে হেকমতিয়ার গেরিলা কমান্ডার হিসেবে যুদ্ধ শুরু করেন। পরে সোভিয়েত দখলদারিত্বের অবসানের পর তার গ্রুপ ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানে সরকারবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করেন। ২০০১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান শাসনের সময় হেকমতিয়ারকে আমেরিকা ‘বিশ্ব সন্ত্রাসী’ বলে আখ্যা দেয়। তার সঙ্গে তালেবান ও আল-কায়েদার সম্পর্ক ছিল বলে অভিযোগ করে আমেরিকা।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ