বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬ ।। ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকা মহানগরীতে দিনের বেলায় ২ শিফটে বর্জ্য পরিষ্কারের নির্দেশ হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের নতুন কর্মসূচি বেফাকের ১২২ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিল দ্বীনি চেতনা পরিষদ মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা: বাড়ছে তেলের দাম অবহেলায় মায়ের মৃত্যু, শাস্তির মুখে সেই যুগ্ম সচিব কিশোরগঞ্জে খেলাফত ছাত্র মজলিসে যোগ দিলেন ৩৬ শিক্ষার্থী শাহজালালে ১৫০ হাজির লাগেজ কাটার অভিযোগ, তদন্তে কর্তৃপক্ষ রুমিন ফারহানার মন্তব্যের নিন্দা জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউরোপের বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি জনজীবনে নতুন সংকট তৈরি করবে: খেলাফত মজলিস গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সর্বপ্রথম রাজপথে নেমেছি আমরা: আমিরে মজলিস

রাত পোহালেই ঈদ : শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহবান জানালেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

our-islam-eid-copyআওয়ার ইসলাম : রাত পোহালেই ঈদ। মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসব আমেজে সারাদেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। মুসলমানরা নামাজ ও পশু জবাইয়ের মধ্যদিয়ে পালন করবেন এই ধর্মীয় উৎসব।

কোরবানির এ প্রচলন প্রায় সাড়ে চার হাজার বছর ধরে। হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর আত্মত্যাগ ও অনুপম আদর্শের প্রতীকী নিদর্শন হিসেবে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নির্দেশে হজরত ইব্রাহিম (আ.) তাঁর প্রাণপ্রিয় পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানী করতে উদ্যত হয়েছিলেন। ওই অনন্য ঘটনার স্মরণেই ঈদুল আজহায় পশু কোরবানির এ রেওয়াজ চালু হয়। মহান আল্লাহপাকের প্রতি আনুগত্য এবং তাঁরই রাহে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের এ ঐতিহাসিক ঘটনার ধারাবাহিকতায় মুসলিম বিশ্বে কোরবানী ও ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়ে আসছে।

ঈদুল আযহা উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে প্রদত্ত এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পবিত্র ঈদ-উল-আযহার মর্মবাণী অন্তরে ধারণ করে নিজ নিজ অবস্থান থেকে জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে বিভেদ-বৈষম্যহীন সুখী-সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ঈদ শান্তি, সহমর্মিতা, ত্যাগ ও ভ্রাতৃত্ববোধের অনুপম শিক্ষা দেয়। আসুন, আমরা সকলে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার মর্মবাণী অন্তরে ধারণ করে নিজ নিজ অবস্থান থেকে জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড ও বিভেদ-বৈষম্যহীন সুখী-সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, হযরত ইব্রাহীম (আ.) মহান আল্লাহর উদ্দেশ্যে প্রিয় বস্তুকে উৎসর্গের মাধ্যমে তার সন্তুষ্টি লাভের যে অনুপম দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, তা বিশ্ববাসীর কাছে চিরকাল অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় হয়ে থাকবে। এই উৎসবের মধ্যদিয়ে সামর্থ্যবান মুসলমানেরা জবাইকৃত পশুর গোশত আত্মীয় ও প্রতিবেশীদের মধ্যে বিলিয়ে দিয়ে সমাজে সাম্যের বাণী প্রতিষ্ঠা করেন।

এফএফ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ