শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

টুইটারে ইসলামবিদ্বেষ বেড়েছে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

Twitter+allows+users+to+share+140 copyআওয়ার ইসলাম : বিশ্বজুড়ে জুলাই মাসে টুইটারে ইসলাম-বিদ্বেষী বার্তা অনেক বেশি পোস্ট করা বা লেখা হয়েছে। গত জুলাই মাসে পৃথিবীজুড়ে ইংরেজি ভাষায় প্রায় সাত হাজার ইসলাম-বিদ্বেষী টুইটার বার্তা পোস্ট করা হয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও অন্যান্য ভাষা মিলিয়ে এ সংখ্যা আরো অনেক বেশি।

গত এপ্রিল মাসে টুইটারে এ ধরনের পোস্টের সংখ্যা ছিল আড়াই হাজারের মতো। ফ্রান্সের নিস শহরে লরি আক্রমণ এবং তুরস্কে সামরিক অভ্যুত্থান চেষ্টার পর ইসলাম-বিদ্বেষী পোস্ট সবচেয়ে বেশি হয়েছে। টুইটারে ইসলাম-বিদ্বেষী পোস্টগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি এসেছে যুক্তরাজ্য থেকে। এরপর বেশি পোস্ট এসেছে যথাক্রমে নেদারল্যান্ডস , ফ্রান্স এবং জার্মানি থেকে। ফ্রান্সের নিস শহরে জনতার উপর লরি তুলে দেবার ঘটনা যেদিন হয়েছে সেদিন টুইটারে সবচেয়ে বেশি ইসলাম-বিদ্বেষী পোস্ট এসেছিল। এ সংখ্যা ছিল ২১ হাজারের বেশি। মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট গ্রুপ সে হামালার দায় স্বীকার করেছিল।

ফ্রান্সের নিস শহরে আক্রমন টুইটারে ইসলাম বিদ্বেষ বাড়িয়েছে। এরপর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক টুইট এসেছে তুরস্কে সামরিক অভ্যুত্থান চেষ্টার পরের দিন। এ সংখ্যা ছিল প্রায় ১১ হাজারের মতো।

যুক্তরাজ্য ভিত্তিক গবেষক কার্ল মিলার এ প্রবণতাকে উদ্বেগজনক হিসেবে বর্ণনা করছেন। তিনি বলেন, “ টুইটারে এ ধরনের পোস্টগুলো উদ্বেগজনক, কারণ হচ্ছে এগুলোতে ইসলামিক স্টেটের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করা হচ্ছে না। সামগ্রিকভাবে মুসলমানদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করা হচ্ছে।”

লন্ডনের একজন ছাত্রী রুকাইয়া হারিস টুইটারে বেশ সক্রিয়। তিনি জানান, নিস শহরে হামলার মতো কোন ঘটনা ঘটলে তিনি টুইটারে প্রচুর ম্যাসেজ বা বার্তা পেয়ে থাকেন যেগুলো ইসলামকে নিন্দা করে লেখা হয়। তিনি বলেন, “আমি টুইটারে কী লিখছি সেটা বিষয় নয়। তাদের অনেকেই ইসলামকে নিন্দা করে এবং আমাকে অপমান করে টুইটারে বার্তা পাঠায়। এমনকি আমার হিজাবকেও অপমান করে।”

সূত্র :  বিবিসি

এফএফ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ