শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬ ।। ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
নাটোরে অগ্নিকাণ্ডে মাদরাসা পুড়ে ছাই, অক্ষত কুরআনের ২৫টি কপি খুলনায় স্কুলছাত্রী গুলিবিদ্ধ দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সাক্ষী সুখরঞ্জন বালীকে অপহরণ করেন এএসপি ফজলু: ডিবি আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাল সৌদি সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৪৪  জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বার্ষিকীতে সুনামগঞ্জে খেলাফত মজলিসের আলোচনা সভা ধর্মান্তরের ঝুঁকি মোকাবিলায় মক্তবব্যবস্থা জোরদারের আহ্বান জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের বগুড়ায় জমি নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৮ জুমার খুতবায় পাকিস্তানি স্কলার আলেমের হার্ট অ্যাটাক যোগ্য নেতৃত্ব ছাড়া সমাজ পরিবর্তন সম্ভব নয়: গাজী আতাউর রহমান

ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গনে মসজিদ বিলীন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আল-আমিন (বাপ্পি)
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ সদরের অষ্টধার ইউনিয়নের জাপারকান্দা এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গনের ফলে এলাকার জামে মসজিদসহ শত শত বাড়িঘর বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাপারকান্দা জামে মসজিদটি পূর্বে একাধিকবার ভাঙ্গারপর এলাকাবাসীর প্রচেষ্টায় মজবুত করেই তৈরি করা হয়েছিলো। কিন্তু এবছরের নদের ভাঙ্গন মসজিদটি পুরোপুরিভাবে বিলীন হয়ে গেছে। সেই সাথে প্রায় দেড়শত বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মসজিদটি রক্ষার জন্য ময়মনসিংহ পানি উন্নয়ন বোর্ডে প্রায় ৪বছর আগেই আবেদন করেছিলো এখনো পর্যন্ত সেই তৎপরতা অব্যাহত আছে। গত দুইবছরে মসজিদ থেকে ১ কি. মিটার পশ্চিমে, একশ মিটার করে অনেকগুলো বালির বস্তা ফেলা হয়েছিলো এবং এবছর পানি উন্নয়ন বোর্ড সহ সরকারি বিভিন্ন ব্যক্তিদের সাথে কথা বলে মসজিদের পাশে প্রায় সাত থেকে আটশ বস্তা বালি ফেলা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শেষ রক্ষা হলো না মসজিদটির।

এ মসজিদের মুসুল্লি মুহা. হানিফ আওয়ার ইসলামকে বলেন, নদটি মসজিদ থেকে প্রায় দুইশত ফিট দূরে অবস্থিত। মসজিদের এলাকার অনেকগুলো বাড়িঘরও ভাঙ্গনের মুখে। মসজিদের পাশে এই পর্যন্ত প্রায় সাতশত বালির বস্তা ফেলা হয়েছে। কিন্তু ফেলার ধরণটা ছিলো অল্প যদি একসঙ্গে অনেকগুলো বালির বস্তা ফেলা যেতো তাহলে হয়তো মসজিদটি রক্ষা করা যেতো।

তিনি আরও বলেন, এখানে এলাকার জনপ্রতিনিধির তদারকি ছিল খুবই দুর্বল। আমি আপনাদের মতো গণমাধ্যমকর্মীদের দ্বারায় সবাইকে আমাদের এলাকার প্রতি দৃষ্টি দেয়ার জন্য বিনিত অনুরোধ করবো। সব খবরেই পত্রপত্রিকায় প্রকাশ হয়, কিন্তু আমাদের দুর্ভোগ কেউ দেখে না।

এবিষয়ে জানতে চাইলে অষ্টধার ইউপি চেয়ারম্যান মুহা. তারেক হাসান আওয়ার ইসলামকে বলেন, আসলে জাপারকান্দা ভাঙ্গা জামে মসজিদসহ এলাকার অনেক বাড়িঘর অনেক আগে থেকেই এমন ক্ষতির সম্মুখীন। আর মসজিদটির পাশে যদি আরো এক সপ্তাহ আগে এক সঙ্গে দশ বারো হাজার বালির বস্তা ফেলা যেতো তাহলে হয়তো মসজিদটি রক্ষা করা সম্ভব হতো। আরো আগে কেনো এই উদ্যোগটি নেয়া হয়নি এই বিষয়ো জানতে চাইলে তিনি বলেন,আসলে এই দায়িত্বটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ