বৃহস্পতিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩ ।। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩০ ।। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৫

শিরোনাম :
জামিয়া বিন্নুরিয়া আলামিয়্যাহ করাচীতে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের ঈর্ষণীয় সাফল্য বাংলাদেশে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে থাকবে রাশিয়া আগামীকাল ঢাকায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিক্ষোভ কেফিয়াহ: রুমাল যেভাবে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে উঠল বাংলাদেশের উন্নয়ন অনেক দেশেরই সহ্য হয় না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রোববার নূরানী তালীমুল কুরআন বোর্ডের ফল প্রকাশ মোবাইলে রেমিট্যান্স বিতরণে সীমা বাড়লো প্রার্থীদের সম্পদ বৃদ্ধি, এখনই কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না দুদক তেজগাঁওয়ে ট্রেনে ক্রেনের আঘাত, ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ বাংলাদেশে গার্মেন্টসের স্থায়িত্বে শ্রম অধিকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: পিটার হাস

মহিলা মাদরাসা নিয়ে এমন শিরোনাম আওয়ার ইসলামের কাছে কাম্য নয়


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

|| আলেমা ফারজানা তাবাসসুম ||

নারীদের মাঝে দ্বীন ও ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিতে, ইলমের শুদ্ধ চর্চার প্রসার ঘটাতে কাজ করছে কওমি মহিলা মাদরাসা। প্রচলিত মহিলা মাদরাসা নিয়ে সম্প্রতি পাঠক প্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকম ‘মহিলা মাদরাসা:  শিক্ষিকাদের আর্তচিৎকার শুনতে পাচ্ছে কি কওমি বোর্ডের জিম্মাদাররা?’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

এ দেশের মুসলিম সমাজের অন্যতম মুখপাত্র বলা যায় আওয়ার ইসলামকে। তাদের কাছ থেকে ইসলাম ও মুসলিমদের সার্বিক বিষয় নিয়ে খবর, ফিচার, প্রতিবেদন, সাক্ষাৎকার, মতামত আমরা সবসময় আশা করি। তেমনি মহিলা মাদরাসার নানা বিষয় নিয়ে তারা কলম ধরবে। বিভিন্ন অযাচিত বিষয়ের সংশোধনের আওয়াজ তুলবে এটা আমরা চাই। তবে মহিলা মাদরাসা নিয়ে দীর্ঘ ওই প্রতিবেদনের শিরোনামটি আমার কাছে ভালো লাগেনি। দায়িত্বশীল জায়গা থেকে পত্রিকাটির সম্পাদক, বার্তা সম্পাদক এমনসব স্পর্শকাতর কাজের শিরোনামের ক্ষেত্রে আরো সচেতন হবে বলে আশা রাখছি।

আরো পড়ুন>>> মহিলা মাদরাসা:  শিক্ষিকাদের আর্তচিৎকার শুনতে পাচ্ছে কি কওমি বোর্ডের জিম্মাদাররা?

এবার আসি প্রতিবেদন প্রসঙ্গে। মহিলা মাদরাসা বা বালিকা মাদরাসা নিয়ে এমন বিশ্লেষণমূলক ও সুন্দর কাজের জন্য আওয়ার ইসলাম প্রশংসার দাবি রাখে। এতে মহিলা মাদরাসার বেশ কয়েকজন শিক্ষিকার মতামত নেওয়া হয়েছে। তাদের মতামতগুলো আমার কাছে যথার্থ মনে হয়েছে। আমি মহিলা মাদরাসায় পড়াশোনা শেষে মহিলা মাদরাসাতেই খেদমত করছি। আমি হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি বিষয়গুলো। প্রতিবেদনে উঠে আসার বিষয়গুলো যেন আমারই কথা।

মহিলা মাদরাসাগুলো বেতন, খাবার, আবাসন ব্যবস্থা, শিক্ষার মানোন্নয়নের মতো জায়গাগুলো আর কবে মানসম্মত করতে পারবে আমি জানিনা। আওয়ার ইসলামের প্রতিবেদনটি যেহেতু আমাদের চোখে পড়েছে, আশা করি দেশের কওমি বোর্ডের দায়িত্বশীলদের চোখেও পড়েছে। আমরা আশা রাখি অতি শীঘ্রই মহিলা মাদরাসার মানোন্নয়নে বেফাকসহ দেশের সবগুলো কওমি বোর্ড উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

লেখক: শিক্ষিকা, নূরে মদিনা মহিলা মাদরাসা নরসিংদী।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর


সর্বশেষ সংবাদ