রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ।। ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ৬ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু, ২৬ দিন পর দেশে ফিরলো দুই প্রবাসীর লাশ লেবাননে হামলা বন্ধ করতে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিলেন নেতানিয়াহু মাদারীপুরে ট্রেনের ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করতে সুইজারল্যান্ডে যাচ্ছে ইরানের প্রতিনিধি দল ইসলামপন্থিদের শক্তিশালী মিডিয়া কাঠামো গড়ে তুলতে হবে: আমিরে মজলিস ৪০ দিন জামাতে নামাজ পড়ে সাইকেল পুরস্কার পেল ৯ কিশোর বাবাকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলাটা সঠিক হয়নি: জামায়াত এমপি খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটির পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত শাহজালালের (রহ.) মাজারে দানব্যবস্থায় স্বচ্ছতার উদ্যোগ, প্রশংসায় ভাসছে প্রশাসন শাহজালালের (রহ.) মাজারে দানবাক্সের নিরাপত্তায় এবার বসল সিসি টিভি

‘আমিরে মজলিসকে নিয়ে স্পিকারের মন্তব্য অনভিপ্রেত ও বিভ্রান্তিকর’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হককে নিয়ে একজন সংসদ সদস্যের বক্তব্য এবং পরবর্তীতে স্পিকারের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এক যৌথ বিবৃতিতে দলের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা ইউসুফ আশরাফ ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ এ প্রতিক্রিয়া জানান।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, আল্লামা মামুনুল হক সংসদে উপস্থিত না থাকলেও তাঁকে নিয়ে সংসদে আলোচনা হওয়া প্রমাণ করে যে কিছু রাজনৈতিক মহল এখনো তাঁকে রাজনৈতিকভাবে ভয় পায়। তারা দাবি করেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের আমলে তাঁর বিরুদ্ধে পরিচালিত অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর বয়ান নতুন করে সামনে আনার চেষ্টা চলছে।

তারা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দায়ের করা একটি মামলায় আদালতের বিচারে আল্লামা মামুনুল হক নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমেও সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে স্পিকারের পক্ষ থেকে ওই ঘটনাকে ‘পরকীয়া’ বা তাঁর জীবনের ‘অন্ধকার অধ্যায়’ হিসেবে উল্লেখ করা এবং তিনি বিষয়টি স্পষ্ট করতে পারেননি বলে মন্তব্য করা অনভিপ্রেত, দায়িত্বজ্ঞানহীন ও বিভ্রান্তিকর।

নেতৃদ্বয় আরও বলেন, একদিকে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের বক্তব্য কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে একই বিষয়ে স্পিকারের মন্তব্য পরস্পরবিরোধী অবস্থানের ইঙ্গিত দেয় এবং তাঁর নিরপেক্ষতা সম্পর্কে প্রশ্নের জন্ম দেয়।

বিবৃতিতে তারা উল্লেখ করেন, আলোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী নিজেই সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যকে থামিয়ে দেন এবং বিরোধী দলের সদস্যরাও এ বিষয়ে আপত্তি জানান। এরপরও স্পিকারের এমন মন্তব্য একটি নিষ্পত্তিকৃত বিষয়কে নতুন করে বিতর্কিত করার শামিল বলে তারা মনে করেন।

খেলাফত মজলিসের নেতারা বলেন, স্পিকারের আসন জাতির কাছে নিরপেক্ষতা, প্রজ্ঞা ও ন্যায়বোধের প্রতীক। তাই তথ্য-উপাত্ত যাচাই ছাড়া এ ধরনের মন্তব্য শুধু একজন জাতীয় নেতার মর্যাদাকেই ক্ষুণ্ন করে না, বরং জাতীয় সংসদের ভাবমূর্তিকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।

বিবৃতিতে অবিলম্বে স্পিকারকে তাঁর মন্তব্য প্রত্যাহার, বিষয়টি নিয়ে জাতির সামনে ব্যাখ্যা প্রদান এবং আল্লামা মামুনুল হকের প্রতি করা মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে অতীতের মিথ্যা অপপ্রচার ও চরিত্রহননের রাজনীতি থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

আইও


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ