নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। ফেনীর নির্বাচন নিয়ে আমরা কোনো সন্ত্রাস মেনে নিব না। নির্বাচনে বল প্রয়োগের চেষ্টা হলে নির্বাচনের প্রস্তুতির পাশাপাশি আমাদের আন্দোলন চলবে। দেশে ধোঁকা দেওয়ার রাজনীতি চলছে-এসব ভাঁওতাবাজি বন্ধ করতে হবে।
সংস্কার নস্যাৎ করে ফ্যাসিবাদকে ফেরানোর চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান ও ফেনী-২ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি বলেছেন, শত শহীদের রক্তের অঙ্গীকারের দেশকে যেকোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে। এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ফেনীতে ১০ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় অফিস উদ্বোধন উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, আমরা জামায়াতসহ হাসিনাবিরোধী সব দল একসঙ্গে স্বৈরাচারের পতনে রাজপথে ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। কিন্তু হাসিনার পতনের পর নানা পরিস্থিতি দেখতে পেলাম। আমরা আশা করছিলাম দেশটাতে যাতে শান্তি ফিরে আসে, কিন্তু এটি আসেনি। আমরা মনে করেছি এটি সাময়িক, তবে এটি সাময়িক হয়নি।
একটি দলের চাঁদাবাজিসহ নানা ক্ষেত্রে মানুষ অতিষ্ঠ। বিগত সময়ে যারা বাড়িঘরে থাকতে পারেন নাই তাদের দুই বছরের কর্মকাণ্ড আমাদের ব্যথিত করেছে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারে ঐকমত্য কমিশনে আমরা নানা প্রস্তাব দিয়েছিলাম। কিন্তু রাষ্ট্রের নানা দিক নিয়ে আলোচনার পথে একটি দল আশঙ্কা তৈরি করেছে।
আমরা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সরব ছিলাম। হাদির খুনিদের আমরা পালিয়ে যেতে দেখেছি। হাদি হত্যার প্রতিবাদে অনেক দলকে সোচ্চার হতে দেখিনি।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, নির্বাচন নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। নানা হুমকিধমকি দেওয়া হচ্ছে।
ভয়ভীতি দেখিয়ে নির্বাচন নস্যাৎ করা যাবে না। আমাদের তরুণ প্রজন্ম এসব হুংকারে ভয় পায় না। আমাদের একজন মরলে আরেকজন দাঁড়িয়ে যাবে। শেখ হাসিনাকে মানুষ ভয় পায়নি, এদের কেউ ভয় পাবে না, ইনশাআল্লাহ।
মতবিনিময়সভায় এবি পার্টির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ আলম বাদল, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিশে সুরা সদস্য লিয়াকত আলী ভুঞা, সামছুদ্দিন ভুঞা, জেলা জামায়াতের আমির মুফতি মাওলানা আবদুল হান্নান, এনসিপির সদস্য সচিব শাহ ওয়ালী উল্লাহ মানিক, সুজা উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের সভাপতি মুজাফফর আহমদ জাফরী, জেলা এবি পার্টির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার ফজলুল হক, জেলা জামায়াতের প্রচার সম্পাদক আনম আবদুর রহিমসহ ১০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আরএইচ/