সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৪ মাঘ ১৪৩২ ।। ৩০ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকা-১১ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাহিদ ইসলামকে শোকজ ইন্দোনেশিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহতের আশঙ্কা সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সংহতি প্রকাশ শায়খে চরমোনাইয়ের আসনে প্রার্থী না দেওয়ার ঘোষণা জামায়াতের ‘তাঁর বাংলা ভাষাজ্ঞান ছিল ঈর্ষণীয়, মেধায় ছিলেন তুখোড়’ ভারতে খালি বাড়িতে নামাজ পড়ার অভিযোগে আটক ১২ শায়খ আহমাদুল্লাহর সঙ্গে ছবি তোলায় শোকজ, প্রতিবাদ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না : আখতার হোসেন নূরানী বোর্ডের কেন্দ্রীয় সনদ পরীক্ষার মেধাবীদের পুরস্কার বিতরণ শুরু জোটের স্বার্থে মনোনয়ন প্রত্যাহার জমিয়ত নেতা ড. শোয়াইব আহমদের

দল এখন সকাল-বিকাল বলে মন্ত্রিত্ব দেবে, আসনটি ছেড়ে দিন : রুমিন ফারহানা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ‘খালেদা জিয়া আমাকে রাজনীতিতে নিয়ে এসেছেন। বেগম খালেদা জিয়ার ভালোবাসা আশ্রয়ে, সহযোগিতায় আমি এতদূর এসেছি। তিনি হাসপাতালে যাওয়ার আগে ২৩ নভেম্বর আমার মনোনয়ন কেন দেওয়া হয়নি জানতে চেয়েছেন। আমার মা (খালেদা জিয়া) মারা যাওয়ার পর আমাকে বহিষ্কার করা হলো।

সরাইলের ইসলামাবাদ গ্রামে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি আরো বলেন, ‘এখন দল থেকে সকাল-বিকেল টেলিফোন করে। বলে আসুন মন্ত্রীত্ব দিবো, আসনটি ছেড়ে দিন। আমার জান থাকতে, শরীরে এক ফোঁটা রক্ত থাকতে মন্ত্রীত্ব কেন আরো কিছুর বিনিময়ে আমি আমার এলাকার মানুষকে ছেড়ে যাবো না।’

এদিকে মতবিনিময়কালে রুমিন ফারহানাকে একটি হাঁস উপহার দেওয়া হয়। ভোটের জন্য তিনি হাঁস প্রতীক চাইবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে জোটপ্রার্থীর বিরুদ্ধে লড়াই করছেন বলে রুমিন ফারহানাকে বহিস্কার করে বিএনপি।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের আখিঁতারা গ্রামে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার মতবিনিময়কে কেন্দ্র করে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এতে কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী, বিএনপি’র সাবেক নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা শুক্রবার বিকেলে তেরকান্দা গ্রামে স্থানীয়দের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। এ সময় ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে দু’জনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে এ নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। উভয় পক্ষের লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে বেরিয়ে পড়েন।

স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে বিষয়টি বড় আকার ধারণ করেনি।

সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মঞ্জুর কাদের ভুঁইয়া জানান, মতবিনিময় সভায় দুইজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। তবে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া কিংবা সংঘর্ষের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে শনিবার সন্ধ্যা নাগাদ থানায় কেউ অভিযোগ করেননি বলে ওসি জানিয়েছেন।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ