মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১০ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
হিফজুল হাদিস প্রতিযোগিতায় জামিয়া বাইতুল করিমের দুই শিক্ষার্থীর সাফল্য সরকার আজ বললে কালই নিচের সব সনদের মান দেবে বেফাক: ওবায়দুর রহমান খান নদভী গাজীপুরে আবারও ঝুটের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদিতে ঢুকতে পারবেন প্রবাসীরা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর রিসালাত ও সুন্নাহ অস্বীকারকারীর জানাজার বিধান ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২২১৮ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাইকার প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম  যুক্তরাজ্যে ঝড় বোয়েলোর তাণ্ডব, নিহত ২, বিদ্যুৎহীন ৯০ হাজার বাড়িঘর তেহরানে বৈঠকে বসছেন সৌদি-তুরস্ক ও পাকিস্তানের শীর্ষ কর্মকর্তারা  

মুসলমানদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা বাড়বে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ভারতে মুসলিম স্বার্থবিরোধী ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাস ও বিজেপি সরকারের ধারাবাহিক মুসলিমবিরোধী পদক্ষেপে উদ্বেগ প্রকাশ, নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। 

আজ দুপুরে (৫ এপ্রিল) গণমাধ্যমকে পাঠানো এক বিবৃতির মাধ্যমে তিনি এই নিন্দা জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “ভারতে মুসলিম স্বার্থবিরোধী ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাস ও বিজেপি সরকারের ধারাবাহিক মুসলিমবিরোধী পদক্ষেপে আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। গত ৩ এপ্রিল ভারতের লোকসভায় পাসকৃত বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল মুসলমানদের ধর্মীয় স্বাধীনতা, মালিকানা ও অধিকার হরণে বিজেপি সরকারের সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টার আরেকটি ঘৃণ্য দৃষ্টান্ত। এই আইনের মাধ্যমে মুসলিমদের দানকৃত মসজিদ, মাদরাসা, কবরস্থান ও আশ্রয়কেন্দ্রের মতো ধর্মীয় সম্পদগুলোতে সরকারি হস্তক্ষেপ ও দখলের পথ তৈরি করা হয়েছে। 

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, সংশোধনী বিলে ওয়াকফ বোর্ড ও কেন্দ্রীয় ওয়াকফ কাউন্সিলে অমুসলিম ২ জন সদস্য রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ফলে ওয়াকফ বোর্ডের ক্ষমতা অনেকটাই খর্ব হয়ে যাবে, যা মুসলমানদের জন্য চরম উদ্বেগের বিষয়। এর মাধ্যমে মুসলমানদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নগ্ন হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা বাড়বে। আমরা মনে করি, রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্যেই এই বিল পাশ করা হয়েছে। 

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বর্তমানে ভারতে ২৫ কোটির বেশি মুসলমানের বসবাস। ভারতে হাজার বছরের পুরনো মসজিদ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নানা কূটকৌশলে ধ্বংস করা হচ্ছে। মুসলমানদের অন্যতম শরীয়তের বিধান ‘তিন তালাক’ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। লাভ ম্যারিজের নামে ধর্মান্তর প্রক্রিয়াকে সীমিত করা হয়েছে। গরুর গোশত রাখার অযুহাতে মুসলমানদের প্রায়ই পিটিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। মুসলমানদের ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে বাধ্য করা হচ্ছে। ভারতের বিজিপি সরকারের এসব কর্মকান্ডই প্রমাণ করা তারা চরম মুসলিম বিদ্বেষী। 

ভারতের বিজিপি সরকারকে এসব মুসলিম বিদ্বেষী অপতৎপরতা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, আমরা আশা প্রকাশ করছি যে, তারা ভারতের মুসলমানদের জীবন, সহায়-সম্পত্তিসহ সকল স্বার্থরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং তাদের নিরাপত্তা বিধানে সব ধরনের ব্যবস্থা নিবে।”

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ