শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬ ।। ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
সিলেট-৫ আসনের সাবেক এমপির শয্যাপাশে মুফতি আবুল হাসান রাত ১টার মধ্যে ১১ অঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড়ের শঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিটি করপোরেশনের প্রশাসকদের বৈঠক হরমুজে ইরানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কঠোর সতর্কতা আমিরাতের ‘দ্রুতবিচারের দাবিকে মধ্যযুগীয় বলে জনতার সঙ্গে উপহাস করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ মসজিদে হারামের খুতবায় হজের পবিত্রতা ও শৃঙ্খলা রক্ষার আহ্বান ‘ধর্ষকের প্রকাশ্য মৃত্যুদণ্ডকে মধ্যযুগীয় বলা ইসলামি মূল্যবোধের প্রতি অবজ্ঞা’ সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হাফেজ কামরুল ইসলাম সড়ক দুর্ঘটনায় আহত এক যুগ ধরে হজের খুতবা দিয়েছেন যেসব আলেম রাত ১টার মধ্যে ১১ অঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড়ের শঙ্কা

চট্টগ্রাম বন্দরে আরও দুই জ্বালানিবাহী জাহাজ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরে কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রয়েছে। আমদানিকৃত জ্বালানি খালাসে গতি আনতে বন্দরে ভিড়ছে আরও দুটি বড় জাহাজ।

বর্তমানে খালাস চলতে থাকা ‘চ্যাং হ্যাং হং তু’ ও ‘এলপিজি সেভেন’-এর মধ্যে প্রথমটি আগামীকাল (বুধবার) এবং দ্বিতীয়টি আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) বন্দরে ভিড়বে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই জাহাজ দুটির আগমন জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তালিকা অনুযায়ী, ‘চ্যাং হ্যাং হং তু’ নামের জাহাজটি মালয়েশিয়া থেকে গ্যাস অয়েল নিয়ে গত ১৫ মার্চ বন্দরে পৌঁছেছে এবং বর্তমানে ব্রাভো মুরিং-এ অবস্থান করছে। জাহাজটি থেকে ইতোমধ্যে প্রায় ৫ হাজার মেট্রিক টন কার্গো খালাস করা হয়েছে। ১৯ মার্চ ২০২৬ তারিখের মধ্যে এর সম্পূর্ণ খালাস প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, জাহাজটি আগামীকাল বুধবার মূল বন্দরে ভিড়বে।

অন্যদিকে, ‘এলপিজি সেভেন’ নামের জাহাজটি ওমান থেকে এলপিজি নিয়ে গত ৮ মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছায় এবং বর্তমানে কুতুবদিয়া এলাকায় অবস্থান করছে। এখন পর্যন্ত জাহাজটি থেকে প্রায় ৭ হাজার ২০ মেট্রিক টন এলপিজি খালাস হয়েছে। ২০ মার্চ ২০২৬ তারিখে জাহাজটির সম্পূর্ণ কার্যক্রম শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী শুক্রবার এটি বন্দরে ভিড়বে বলে জানা গেছে।

বন্দরের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোট ২৮টি জ্বালানিবাহী জাহাজের মধ্যে অধিকাংশ ইতোমধ্যে কার্গো খালাস শেষে বন্দর ত্যাগ করেছে। কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ওমান ও ভারত থেকে আসা এসব জাহাজ এলএনজি, এলপিজি, ক্রুড অয়েল, গ্যাস অয়েল, এইচএসএফও ও বেস অয়েল সরবরাহ করেছে। এ ছাড়া কাতার, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, অ্যাঙ্গোলা, থাইল্যান্ড ও ওমান থেকে এলএনজি, এইচএসএফও ও এলপিজিবাহী আরও কয়েকটি জাহাজ বর্তমানে বন্দরের পথে (প্যাসেজ) রয়েছে।

সার্বিক বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব রেফায়াত হামিম বলেন, ‘জ্বালানি খালাস ও সরবরাহ কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নতুন জাহাজগুলোর আগমনের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

 এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ