শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশ গড়ার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন খালেদা জিয়া : মির্জা ফখরুল মহিলা মাদ্রাসায় বোমা বিস্ফোরণ, ৫ শিক্ষার্থী আহত নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ২ রিজভীর স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া বিজ্ঞপ্তি, নেতাকর্মীদের সতর্ক করল বিএনপি রাজধানীতে ‘বযমে নাতে মুস্তফা (সা.)’ অনুষ্ঠিত দেশপ্রেম দেখাতে শব্দ চয়নে সতর্ক বার্তা মুফতি শামাইল নদভীর ‘কওমি সনদের স্বীকৃতি শুধু কাগজে নয়, পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে’ ময়মনসিংহে ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমীয়্যাহর উদ্যোগে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সোমবার জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন আজ

শিক্ষার মান বাড়াতে ৯ বোর্ডে একই প্রশ্নে পরীক্ষার পরিকল্পনা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

সারা দেশের শিক্ষা বোর্ডগুলোতে প্রশ্নপত্রের মান ও পরীক্ষার মূল্যায়নে সমতা আনতে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে একই প্রশ্নপত্রে পাবলিক পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। একইসঙ্গে খাতা মূল্যায়নেও যা লিখেছে তাই নম্বর নীতি আরও কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করার চিন্তা চলছে। সাময়িকভাবে পাসের হার কমলেও দীর্ঘমেয়াদে শিক্ষার মান উন্নত করতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

গতকাল শনিবার (১৪ মার্চ) শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে ‘এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশের (ইরাব)’ সদস্যদের সঙ্গে ইফতার-পরবর্তী মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষায় নকলের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। অতীতে যেভাবে নকলবিরোধী অভিযান চালানো হয়েছিল, প্রয়োজনে আবারও সেভাবে অভিযান পরিচালনা করা হবে। পরীক্ষার সময় কোথাও নকলের অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, পরীক্ষায় নকল রোধে প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা বসানো এবং প্রয়োজন হলে ভিডিও নজরদারির ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এতে পরীক্ষার সময় অনিয়ম বা নকলের ঘটনা ঘটলে পরে প্রমাণ হিসেবে তা ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

পরীক্ষা কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনায় মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার্থীরা যেন নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা দিতে না পারে—এ বিষয়ে নতুন করে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ যেসব শিক্ষার্থী যে প্রতিষ্ঠানের, তারা সেই একই কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে না। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী যোগসাজশ কমবে এবং নকলের সুযোগও কমে আসবে। তবে দুর্গম অঞ্চল, হাওর বা বিশেষ পরিস্থিতির ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যতিক্রম রাখা হতে পারে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, অতীতে বিভিন্ন সময়ে খাতা ঠিকভাবে মূল্যায়ন না করেও অনেক শিক্ষার্থীকে পাস করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে ফলাফলের হার কিছুটা কমে যাওয়ার পেছনে সেই বাস্তবতাও কাজ করছে। তবে ধীরে ধীরে শিক্ষার মান উন্নত করে বাস্তবসম্মত ফলাফল নিশ্চিত করা হবে।

এসময় এমপিওভুক্তির জটিলতা নিয়েও আলোচনা হয়। মন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ে ফাইল নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা বরদাস্ত করা হবে না। কোনো ফাইল ৭২ ঘণ্টার বেশি সময় যেন অকারণে আটকে না থাকে সেবিষয়েও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। 

আইএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ