রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬ ।। ১ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৬ রমজান ১৪৪৭


জ্বালানি তেল বিক্রিতে রেশনিংসহ সব বিধিনিষেধ তুলে নিলো সরকার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

জ্বালানি তেল বিক্রিতে রেশনিংসহ সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

রোববার (১৫ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিন কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথমত বেশ কিছু তেলের জাহাজ এসেছে, দ্বিতীয়ত সামনে ঈদ এবং তৃতীয় কারণ হলো বোরো মৌসুম।

তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, ‘এ নিয়ে উদ্বেগ অস্বাভাবিক কিছু না। তবে আমরা জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার চেষ্টা করব। যতক্ষণ অর্থনীতি চাপ সইতে পারবে, ততক্ষণ দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই।’

এর আগে শনিবার সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, ঈদযাত্রার চাপ বিবেচনায় দূরপাল্লার বাসসহ গণপরিবহনে জ্বালানি নেওয়ার ক্ষেত্রে আর কোনো সীমা রাখা হবে না।

তিনি বলেন, রোববার থেকে ঈদযাত্রার চাপ বাড়বে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আগেই গণপরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শনিবার রাত থেকেই দূরপাল্লার বাস ও অন্যান্য গণপরিবহনে তেল নেওয়ার কোনো সীমা থাকবে না।

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমায় দেশেও পেট্রল-অকটেন ও ডিজেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। এর জেরে গত ৬ মার্চ ফিলিং স্টেশন থেকে যানবাহনে তেল সরবরাহের সীমা বেঁধে দেয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

ওই নির্দেশনা অনুযায়ী একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নেওয়া যাচ্ছিল। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে নেওয়া যাচ্ছিল সর্বোচ্চ ১০ লিটার তেল।

এ ছাড়া স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল বা এসইউভি ও মাইক্রোবাস দিনে পাচ্ছে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারছে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারছে।

গত ১০ মার্চ ‘রাইড শেয়ার’ করা মোটরসাইকেলের জন্য সীমা কিছুটা বাড়ানো হয়। শুরুতে ২ লিটারের সীমা থাকলেও বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৫ লিটার করা হয়।

আইএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ