বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৮ মাসে নিজ হাতে পুরো কুরআন লিখলেন সুরাইয়া জান্নাত আরবি ভাষায় দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে দেশে প্রথমবারের মতো সরকারের উদ্যোগ ইত্তেফাকুল উলামার ময়মনসিংহ মহানগর কমিটি পুনর্গঠন মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলা প্রতিশোধমূলক অপচেষ্টা: মাওলানা জালালুদ্দীন ইমাম-উলামার আপত্তির মুখে বন্ধ হলো কিশোরগঞ্জের কনসার্ট খোদাভীরু, সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে: মুফতি আবুল হাসান এমপি কলকাতায় আগুনে মারা যাওয়া বাংলাদেশিদের পরিচয় প্রকাশ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরার মাধ্যমে একদিনে ৪৪৯ মামলা পাঠ্যবই থেকে হাদিসের কিছু অংশ বাদ দিলো সৌদি `ফ্যামিলি কার্ড আর কৃষি কার্ডের অজুহাতে জনগণকে মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করবেন না'

আখেরি মোনাজাতে শেষ হলো চরমোনাই মাহফিল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বরিশালের চরমোনাই অনুষ্ঠিত তিন দিনের মাহফিল। আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন পীর সাহেব চরমোনাই ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।

শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টায় আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন। তাদের আমিন আমিন ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠে কীর্তনখোলার তীর।

গত বুধবার (১ এপ্রিল) বাদ জোহর আনুষ্ঠানিকভাবে এই মাহফিল শুরু হয়। অন্য বছর ফাল্গুন মাসে এই মাহফিল হলেও এবার জাতীয় নির্বাচন ও রমজানের কারণে কিছুটা পিছিয়ে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন:
ঘরে বসেই আধুনিক সাংবাদিকতা ও সৃজনশীল লেখালেখি শেখার সুযোগ
মাওলানা আইনুল ইসলাম কাসেমীর মুক্তি দাবি হেফাজতের

মাহফিলে লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মানুষ হালকায় বিভক্ত করে হাতে-কলমে নামাজ ও ইসলামের বুনিয়াদি বিষয়ে বাস্তব প্রশিক্ষণ নেন। মঞ্চ থেকে দীনের প্রয়োজনীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, চরমোনাই মাহফিল দুনিয়াবি উদ্দেশ্যে নয়, বরং পথভোলা মানুষকে আল্লাহর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্যই এ মাহফিল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। সুতরাং এখানে দুনিয়াবি কোনো উদ্দেশ্য সাধনের জন্য আসার প্রয়োজন নেই। যদি এমন কেউ এসে থাকেন, তবে নিয়ত পরিবর্তন করে আত্মশুদ্ধির জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করুন।

পীর সাহেব চরমোনাই আরও বলেন, যারা চরমোনাইয়ে নতুন এসেছেন, তারা দুনিয়ার ধ্যান-খেয়াল বিদায় করে দিয়ে আখেরাতের খেয়াল-ধ্যান অন্তরে জায়গা দেন। দিল থেকে বড়ত্ব এবং আমিত্ব ভাব বের করে দিয়ে আল্লাহর কুদরতি পায়ে নিজেকে বিলীন করে দিতে হবে। সদা-সর্বদা আল্লাহর জিকিরের মাধ্যমে দিলকে তরতাজা রেখে আল্লাহর অলি হয়ে চরমোনাই থেকে বিদায় নেওয়ার প্রস্তুতি নিতে হবে।

ঐতিহাসিক চরমোনাই বার্ষিক মাহফিলে সাতটি মূল বয়ানের মধ্যে মাওলানা মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পাঁচটি এবং মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম দুটি বয়ান করেন।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ