আন্তর্জাতিক ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে এবার বিশেষভাবে নজর কাড়ছেন মুসলিম আমেরিকান প্রার্থীরা। আগামী দিনের মার্কিন রাজনীতিতে মুসলিমদের প্রতিনিধিত্ব কতটা বাড়বে, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে আগ্রহ। এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে অন্তত ৫১ জন মুসলিম আমেরিকান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত নাম মিশিগানের ডেমোক্রেটিক সিনেট প্রার্থী আবদুল আল-সাইদ।
৪১ বছর বয়সী আল-সাইদ নির্বাচনে জয়ী হলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর হওয়ার গৌরব অর্জন করবেন। মিশিগানের এই আসনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী ও সাবেক কংগ্রেস সদস্য মাইক রজার্স। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হচ্ছে নির্বাচন।
মিসরীয় বংশোদ্ভূত আল-সাইদ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, চিকিৎসাবিজ্ঞানের গবেষক ও প্রগতিশীল রাজনীতিক। নির্বাচনী প্রচারে স্বাস্থ্যসেবা, জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং ফিলিস্তিন-ইসরায়েল ইস্যুতে তাঁর অবস্থান বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। মুসলিম পরিচয় নিয়েও তাঁকে বিভিন্ন রাজনৈতিক আক্রমণের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে এসব বিতর্কের মধ্যেও নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে গেছেন তিনি।
আল-সাইদের নির্বাচনী প্রচারে ইসরায়েলপন্থী গোষ্ঠীগুলোর বিপুল অর্থ ব্যয়ের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। নির্বাচনী অর্থায়নের তথ্যভিত্তিক একটি পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের নির্বাচনী চক্রে ইসরায়েলপন্থী রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটিগুলো তাঁর বিরুদ্ধে প্রায় ২ কোটি ২৩ লাখ ডলার ব্যয় করেছে। এর বড় অংশ এসেছে ইউনাইটেড ডেমোক্রেসি প্রজেক্টের মাধ্যমে। এত বিপুল অর্থ ব্যয়ের প্রচারণার মধ্যেও ডেমোক্রেটিক পার্টির মনোনয়ন পান তিনি।
এসএইচ/