শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৮ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দারুল উলুম দেওবন্দে সমবেত হচ্ছেন পাঁচ হাজার মাদরাসার প্রতিনিধি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযান, হেবরনে ঘরছাড়া ৩০০ পরিবার নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা  হজরত শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে ৮৮ লাখ টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা  নৈতিক সমাজ গঠনে মসজিদ-মাদ্রাসার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: হাবিবুর রশিদ  খুতবার মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতায় আফগানিস্তানকে দায়ী করা বিভ্রান্তিকর: তালেবান মুখপাত্র আল-আকসার খতিবকে ধরে নিয়ে যাওয়ার নিন্দা জমিয়তের পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি খেলাফত মজলিসের শতবর্ষী রেসকোর্স মসজিদের বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ পুনর্বহালে দিল্লি হাইকোর্টের ‘না’

দিল্লিতে ভবন ধসে ৩ ছাত্রের মৃত্যু, ৬ জন জীবিত উদ্ধার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ছুটির দুপুরে হঠাৎ করেই এক বিকট শব্দে কেঁপে উঠে দিল্লির সত্য নিকেতন এলাকা। চোখের পলকে হুড়মুড় করে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ‘হোস্টেল ডেজ’ নামের একটি ছয়তলা ছেলেদের পিজি (পেয়িং গেস্ট) ভবন। 

মুহূর্তে চারপাশ ঢেকে গেল ধুলোর আস্তরণে, শুরু হলো আটকা পড়া ছাত্রদের বাঁচার আকুতি। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩ জনের প্রাণহানি ঘটেছে, তবে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। 

খবর পেয়ে দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে স্পষ্ট জানান, এই অবহেলার পেছনে যারাই জড়িত থাক, তাদের একজনকেও ছাড় দেওয়া হবে না।

দুপুরবেলা হওয়ায় বেশিরভাগ ছাত্রই তখন নিজেদের ঘরে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। ভবনটিতে প্রায় ১৫টি ঘর ছিল এবং অন্তত ৩৫ থেকে ৪০ জন শিক্ষার্থী সেখানে থাকতেন। হঠাৎ পুরো পাঁচতলা বাড়িটি ভেঙে পড়ে এবং তার ধাক্কায় পাশের আরেকটি ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভয়াবহ দৃশ্যটি দেখে ফায়ার সার্ভিস বা পুলিশ আসার আগেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছুটে যান স্থানীয় বাসিন্দারা। নিজেদের হাত ও হাতের কাছে যা ছিল তা দিয়েই ইট-পাথর সরিয়ে তারা আটকা পড়া ছাত্রদের উদ্ধারে নেমে পড়েন।

সংবাদ পেয়ে মুহূর্তের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইঞ্জিনসহ এনডিআরএফ ও উদ্ধারকারী একাধিক দল। গুরুতর আহত অবস্থায় যাদের উদ্ধার করা হয়, তাদের দ্রুত এইআইআইএমএস ট্রমা সেন্টার ও সফদরজং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই দুজন প্রাণ হারান, পরে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩ জনে দাঁড়ায়।

বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। দুর্ঘটনাস্থলের আশেপাশের সব বাড়ি নিরাপত্তার খাতিরে খালি করে দেওয়া হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের ভেতরে আর কোনো ছাত্র বা মানুষ আটকে আছেন কি না, তা খুঁজে বের করতে উদ্ধারকারীদের অভিযান এখনো টানা চলছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

এসএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ