মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ।। ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৭ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
উম্মুল কুরা মহিলা মাদরাসার পরিচালকের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন  প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজে মাওলানা ইসলামাবাদী-ইকরামের নেতৃত্বাধীন জমিয়ত ‘তাহাফ্ফুজে ফিকরে আকাবির’ মহাসম্মেলন ৬ আগস্ট, প্রধান অতিথি দেওবন্দের মুহতামিম এই বাংলাদেশ দেখার জন্য বুলেটের সামনে দাঁড়াইনি: শায়খে চরমোনাই ‘হিজবুল বাহারের জাকাত’ নামে ধর্মীয় অনুষ্ঠান শরিয়তসম্মত নয়: মারকাযুদ দাওয়াহ কেন প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ বর্জন, কী বলছে জমিয়ত নিউজিল্যান্ডের বৃহত্তম মসজিদ পরিদর্শনে রাবেতা মহাসচিব জাকাত বোর্ডকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নতুন রাজনৈতিক প্রধান বেছে নিলো হামাস ‘চলো সংসদ’ ঘিরে উত্তাল দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট

শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে কাঁপল ইরান


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে ইরান। দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের কেরমানশাহ প্রদেশের কুজারান এলাকায় সকালে পরপর দুটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্প দুটির মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ২ এবং ৫ দশমিক ৭।

স্থানীয় সময় সোমবার (২০ জুলাই) সকালে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় কেরমানশাহ প্রদেশে এই শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত হানে।

প্রথম ভূমিকম্পটি ১৩ কিলোমিটার গভীরে উৎপত্তি হয়। এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ২। এর কিছুক্ষণ পর স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ১৮ মিনিটে একই এলাকায় আরও শক্তিশালী ৫ দশমিক ৭ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্প অনুভূত হয়। খবর ইরন প্রেসের।

এখন পর্যন্ত ভূমিকম্পে হতাহত বা উল্লেখযোগ্য ক্ষতির কোনো সরকারি তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

তবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে সংশ্লিষ্ট এলাকায় জরুরি সেবা ও উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর পরিস্থিতি মূল্যায়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

এর মাত্র একদিন আগে, রোববার (১৯ জুলাই) সকালে ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুজেস্তান প্রদেশের সারান্দ এলাকায় ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১২ কিলোমিটার গভীরে।

ভূতাত্ত্বিক অবস্থানের কারণে ইরান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। দেশটি আরবীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় প্লেট দুটির ক্রমাগত গতিশীলতার ফলে সেখানে নিয়মিত ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কেরমানশাহ, খুজেস্তান এবং হরমোজগানের মতো পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশগুলো তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। অধিকাংশ ভূমিকম্পের মাত্রা খুব বেশি না হলেও, অগভীর গভীরতায় উৎপন্ন কম্পন জনবসতিপূর্ণ এলাকায় বেশি অনুভূত হয় এবং উল্লেখযোগ্য ক্ষতির আশঙ্কা সৃষ্টি করতে পারে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ