বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
টাকা তুলছেন গ্রাহকরা, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক বাড়ছে আস্থা অস্ট্রিয়ায় ১৪ বছরের কম বয়সী মেয়েদের হিজাব নিষিদ্ধ ‘স্থিতিশীল ক্যাম্পাস ও যোগ্য নেতৃত্ব গঠনে ছাত্র আন্দোলনকে ভূমিকা রাখতে হবে’ নেপালের জাতীয় সভার সদস্যের সঙ্গে আমিরে মজলিসের সৌজন্য সাক্ষাৎ সাহারানপুরের শতবর্ষী মসজিদ ভাঙায় মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের তীব্র নিন্দা পাঠ্যবইয়ে স্থান পাচ্ছে জুলাই অভ্যুত্থানের নানা বিষয় হজের ব্যয় কমাতে বড় অঙ্কের খরচ কমিয়েছে সরকার: ধর্মমন্ত্রী মাওলানা যাইনুল আবিদীনের ‘লামাজহাবী: মুখ ও মুখোশ’ গ্রন্থের পাঠোন্মোচন রাতে চার দশক পর জাতিসংঘের সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ থানা থেকে লুট হওয়া সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলে মিলবে পুরস্কার

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সৌদি আরবকে অনুমতি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সৌদি আরবকে নিজস্ব ভূখণ্ডে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দিয়ে একটি পারমাণবিক চুক্তির খসড়া তৈরি করা হয়েছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চূড়ান্ত সই না মেলায় চুক্তিটি এখন আটকে আছে।  

জানা গেছে, ২০১৫ সালের অক্টোবরেই এই চুক্তির আলোচনা শেষ হয়েছিল, কিন্তু ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধের কারণে ট্রাম্প এতে সই করতে দেরি করছেন বলে । এছাড়া, মার্কিন কংগ্রেসে দুই দলের বিরোধিতার মুখে পড়ার ভয়ও রয়েছে।

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ হলো পারমাণবিক বোমা তৈরির মূল উপায়। সাধারণত কোনো দেশ বেসামরিক কাজের জন্য ইউরেনিয়াম নিজে তৈরি না করে অন্য দেশ থেকে আমদানি করে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে কঠোর নিয়ম না থাকলে এই চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরব পরমাণু অস্ত্র তৈরির পথ পেয়ে যেতে পারে। এর আগে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানও বলেছিলেন, ইরান পরমাণু বোমা বানালে সৌদি আরবও তা বানাবে।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এই চুক্তিতে জাতিসংঘের পারমাণবিক নজরদারি সংস্থা (আইএইএ)-র কঠোর তদারকির নিয়মটি রাখা হয়নি। এর ফলে সংস্থাটি চাইলেই সৌদির সন্দেহভাজন পরমাণু কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করতে পারবে না। পুরো বিষয়টি কেবল যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদির দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হবে।

২০০৯ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত এমন প্রযুক্তির লোভ ত্যাগ করে কঠোর আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে চুক্তি করেছিল, যা পারমাণবিক সুরক্ষার আদর্শ নিয়ম বা ‘গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড’ হিসেবে পরিচিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সৌদি আরবের ভূমিতে এই প্রযুক্তি দেওয়া বিপজ্জনক, কারণ তারা যেকোনো সময় এই কেন্দ্র নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিতে পারে। অন্যদিকে, চুক্তির পক্ষে থাকা ব্যক্তিদের যুক্তি হলো, এর মাধ্যমে আমেরিকার পরমাণু ব্যবসার বড় লাভ হবে।   

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি না করলে সৌদি আরব হয়তো রাশিয়া বা চীনের কাছ থেকে আরও সহজে এই প্রযুক্তি পেয়ে যাবে। তবে বিরোধীদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি এভাবে নিয়ম শিথিল করে চুক্তি করে, তবে বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্র ছড়ানো রোধ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

এসএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ