রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ ।। ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
কুরআনের হিফজ সম্পন্ন করায় আমানাহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ভারতের আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ৮ জনের মৃত্যু  ১০০ রাকাত নামাজ পড়িয়েও ‘হেদায়েত’ করা গেল না তাকে! জমিয়তের খাস কমিটির বৈঠক, ত্রাণ ফান্ডে সহযোগিতার আহ্বান ‘ইসলামি গবেষণাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে’ ইসলামী আন্দোলনের লালমনিরহাট জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত ‘জুলাই চেতনার কথা বলে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস চালানো দ্বিচারিতা’ বন্যা দুর্গতদের পাশে আলেম, ইসলামি সংগঠন ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলো ইমামুল হিন্দের নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস অন্যায়: মাওলানা আরশাদ মাদানী ‘আল-মুঈন ত্রাণ তহবিলে’ উদারহস্তে সহযোগিতার আহ্বান হাটহাজারীর মুহতামিমের

‘আপনি কি মুসলিম?’ প্রশ্ন করেই ভারতীয় যুবককে ১৫ বার ছুরিকাঘাত


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের উটাহ রাজ্যের একটি শপিং মলে ধর্মীয় বিদ্বেষের জেরে এক ভারতীয় মুসলিম কর্মীকে ১৫ বার ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। আদালতের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় পিটার মাইকেল লারসেন নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) ওয়েস্ট ভ্যালি সিটির ‘ভ্যালি ফেয়ার মল’-এ এ ঘটনা ঘটে। বর্বরোচিত এই ঘটনায় ভুক্তভোগী যুবকের অবস্থা এখন আশঙ্কাজনক বলে সূত্রে জানানো হয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মুসলিম যুবকের নাম, সোহেল। তিনি ভ্যালি ফেয়ার শপিং মলের একটি কিয়স্কে (ছোট দোকান) কাজ করতেন।

পাশের একটি জুয়েলারি দোকানের কর্মী লুনা নুনেস ঘটনার বিবরণ দিয়ে জানান, লারসেন প্রথমে সোহেলের কাছে গিয়ে তার পরিচয় জানতে চান। লারসেন প্রথমে জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনি কোথা থেকে এসেছেন?’ সোহেল উত্তর দেন, ‘আমি ভারত থেকে এসেছি, আমার নাম সোহেল।’ এরপর লারসেন জিজ্ঞেস করে, ‘আপনি কি মুসলিম?’ সোহেল তখন হ্যাঁ বলতেই, লারসেন তাকে ছুরি বের করে পরপর আঘাত করতে থাকে।

ঘটনার এই বিবরণে উটাহ ইসলামিক সেন্টারের ইমাম যুক্ত করেন, লারসেন হামলা চালানোর আগে সোহেলের কাছে এক বোতল পানি চেয়েছিলেন। সোহেল যখন পানি আনার জন্য ঘোরেন, তখনই তার ওপর এই হামলা চালানো হয়।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, লারসেনের মতাদর্শ এবং পূর্বপরিকল্পিত বড় ধরনের সহিংসতার ছকের কারণে তিনি সমাজের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।

সোহেলের ম্যানেজার আদনান মোহাম্মদ এই বিদ্বেষমূলক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "এটি সম্পূর্ণ উন্মাদনা। ঘৃণা ছড়ানোর কোনও জায়গা এখানে হতে পারে না।"

সোহেলের কাজের প্রশংসা করে আদনান বলেন, ‘ও সবসময় হাসিখুশি থাকত, কঠোর পরিশ্রম করত। কাজের দক্ষতার কারণে আমিই ওকে সব দেখাশোনার দায়িত্ব দিয়ে ম্যানেজার হিসেবে পদোন্নতি দিয়েছিলাম।’

সূত্র: এনডিটিভি

আওয়ার ইসলাম/জেডএম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ