শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৮ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দারুল উলুম দেওবন্দে সমবেত হচ্ছেন পাঁচ হাজার মাদরাসার প্রতিনিধি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযান, হেবরনে ঘরছাড়া ৩০০ পরিবার নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা  হজরত শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে ৮৮ লাখ টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা  নৈতিক সমাজ গঠনে মসজিদ-মাদ্রাসার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: হাবিবুর রশিদ  খুতবার মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতায় আফগানিস্তানকে দায়ী করা বিভ্রান্তিকর: তালেবান মুখপাত্র আল-আকসার খতিবকে ধরে নিয়ে যাওয়ার নিন্দা জমিয়তের পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি খেলাফত মজলিসের শতবর্ষী রেসকোর্স মসজিদের বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ পুনর্বহালে দিল্লি হাইকোর্টের ‘না’

ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আশারা চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের কর্মযজ্ঞ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক

ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনে প্রকৃত অসহায় মানুষকে চিহ্নিত করে পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্ট আলেম, সাংবাদিক, লেখক ও সমাজকর্মীরা। তারা বলেছেন, ভিক্ষা দিয়ে নয়, কর্মসংস্থান ও স্বাবলম্বী করে তোলার মাধ্যমেই ভিক্ষাবৃত্তির স্থায়ী সমাধান সম্ভব।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে আশারা চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত “ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গঠন: সংকট ও সমাধান” শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, ভিক্ষুকদের সবাই প্রকৃত অসহায় নন। তাদের একটি অংশ সুস্থ, সবল ও কর্মক্ষম হয়েও ভিক্ষাবৃত্তিকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। তাই ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনে আগে জরিপ ও যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত অভাবী ও অসহায় মানুষকে চিহ্নিত করতে হবে। এরপর তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান, ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য পুঁজি ও অন্যান্য সহায়তা দিয়ে স্বাবলম্বী করে তুলতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, যারা কাজ করতে সক্ষম, তাদের ভিক্ষার পরিবর্তে কাজের সুযোগ করে দিতে হবে। আর যারা সত্যিই অসহায়, তাদের দায়িত্ব নিতে হবে সমাজ ও রাষ্ট্রকে। এ ক্ষেত্রে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকেও সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন মুফতি কাজী ইবরাহীম; মাসিক মদীনার সম্পাদক আহমদ বদরুদ্দীন খান; সাংবাদিক ও লেখক আমীরুল মোমেনীন মানিক; আলোর ছটা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুফতি মাসুম আহমাদ; তাকওয়া চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাওলানা গাজী ইয়াকুব; আল হিদায়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুফতি মুহাম্মদ আলী; রাহমানী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুস্তাফিজ রাহমানী; লেখক মাওলানা জহির ইবনে মুসলিম; মাওলানা আহসানুল্লাহ কাসেমী; প্রথম আলোর সহকারী সম্পাদক মনযূরুল হক; মাওলানা শহীদুল ইসলাম; ছাকিবুল ইসলাম কাসেমী; মুফতি আবদুর রহমান কাসেমীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

মহব্বত হোসাইন ও মুফতি মুহিউদ্দীন কাসেমীর সঞ্চালনায় এবং সাইমুম সাদীর সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ভিক্ষাবৃত্তি নিরসনে “ভিক্ষা নয়, পুনর্বাসন”—এই ধারণাকে সামনে রেখে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সম্মিলিত উদ্যোগ ও সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে বাংলাদেশকে ধীরে ধীরে ভিক্ষাবৃত্তিমুক্ত করা সম্ভব।

আশারা চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য—অসহায় মানুষের হাতে ভিক্ষার পাত্র নয়, সম্মানজনক জীবনের সুযোগ তুলে দেওয়া।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ