রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৮ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দারুল উলুম দেওবন্দে সমবেত হচ্ছেন পাঁচ হাজার মাদরাসার প্রতিনিধি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযান, হেবরনে ঘরছাড়া ৩০০ পরিবার নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা  হজরত শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে ৮৮ লাখ টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা  নৈতিক সমাজ গঠনে মসজিদ-মাদ্রাসার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: হাবিবুর রশিদ  খুতবার মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতায় আফগানিস্তানকে দায়ী করা বিভ্রান্তিকর: তালেবান মুখপাত্র আল-আকসার খতিবকে ধরে নিয়ে যাওয়ার নিন্দা জমিয়তের পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি খেলাফত মজলিসের শতবর্ষী রেসকোর্স মসজিদের বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ পুনর্বহালে দিল্লি হাইকোর্টের ‘না’

যে অ্যাপ ব্যবহার করলেই ঝুঁকিতে পড়তে পারে ব্যাংকের টাকা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

একটি অ্যাপ ইনস্টল করতে গিয়ে মুহূর্তেই বিপদে পড়তে পারেন ব্যবহারকারীরা। অচেনা ওয়েবসাইট থেকে আসল অ্যাপের আদলে তৈরি ভুয়া টিকটক বা গুগল ক্রোম ইনস্টল করলেই ফোনে ঢুকে পড়তে পারে ‘রকারোলা’ নামের ম্যালওয়্যার। এরপর নকল ব্যাংক লগইন পেজের মাধ্যমে তথ্য চুরি থেকে শুরু করে ফোনের গোপন তথ্য হাতিয়ে নেওয়া, এমনকি ব্যাংক হিসাব খালি করার সুযোগও পেতে পারে সাইবার অপরাধীরা।

প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ব্লিপিং কম্পিউটারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফোনে ইনস্টল হওয়ার পর ‘রকারোলা’ ম্যালওয়্যার ২০০টিরও বেশি ব্যাংকিং ও আর্থিক অ্যাপকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে পারে। শুধু ব্যাংকিং তথ্য চুরি নয়, ব্যবহারকারীর ক্রিপ্টোকারেন্সিও হাতিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে এই ম্যালওয়্যারের। 

ফোনে ঢোকে যেভাবে

সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান জিম্পেরিয়ামের তথ্যমতে, হ্যাকাররা ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করে ব্যবহারকারীদের গুগল ক্রোম বা টিকটক ডাউনলোডে আগ্রহী করে তোলে। এসব ভুয়া অ্যাপ ডাউনলোড করতে গেলে ব্যবহারকারীর সামনে গুগল প্লে প্রোটেক্টের মতো দেখতে একটি সতর্কবার্তা দেখানো হয়।

অনেকেই এটিকে গুগলের আসল নিরাপত্তা সতর্কবার্তা মনে করেন। ফলে কোনো সন্দেহ ছাড়াই পরবর্তী ডাউনলোডের অনুমতি দেন। আর তখনই ফোনে প্রবেশ করে ‘রকারোলা’ ম্যালওয়্যার।

তথ্য চুরি করে যেভাবে 

ফোনে ঢুকে পড়ার পর ম্যালওয়্যারটি ২১৭টি ব্যাংকিং ও আর্থিক অ্যাপের নকল লগইন পেজ তৈরি করতে পারে। ব্যবহারকারী মনে করেন, তিনি নিজের ব্যাংক অ্যাপেই প্রবেশ করছেন। বাস্তবে নিজের ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ড হ্যাকারদের হাতে তুলে দেন।

এ ছাড়া ফোনের লকস্ক্রিনের তথ্য চুরি ও কনট্যাক্ট তালিকা হাতিয়ে নিতে পারে ম্যালওয়্যারটি। কী-লগারের মাধ্যমে ফোনে টাইপ করা তথ্যও রেকর্ড করতে সক্ষম এটি।

শুধু তাই নয়, ব্যাংক থেকে আসা প্রতারণাসংক্রান্ত সতর্কবার্তা আটকে দিতে পারে। সন্দেহজনক লেনদেন সম্পর্কে সতর্ক করতে আসা ফোনকলও বাধাগ্রস্ত করতে সক্ষম। ফলে ব্যবহারকারী বিষয়টি বুঝে ওঠার আগেই ব্যাংক হিসাব থেকে অর্থ সরিয়ে নিতে পারে সাইবার অপরাধীরা।

নিরাপদ থাকবেন যেভাবে 

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, অ্যান্ড্রয়েড ফোনে নতুন অ্যাপ ইনস্টলের সবচেয়ে নিরাপদ উপায় হলো অনুমোদিত অ্যাপ স্টোর ব্যবহার করা। গুগল প্লে স্টোর বা স্যামসাং গ্যালাক্সি স্টোর ছাড়া অন্য কোনো ওয়েবসাইট থেকে অ্যাপ ডাউনলোড না করাই নিরাপদ।

সাইবার অপরাধীরা প্রতিনিয়ত নতুন কৌশলে ব্যবহারকারীদের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করছে। তাই অ্যাপ ডাউনলোডের ক্ষেত্রে সামান্য অসতর্কতাও ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাংক হিসাব ও ডিজিটাল সম্পদকে বড় ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

সূত্র: এমএসএন

এসএইচ/ 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ