মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
আইএবি ঢাকা দক্ষিণের মহিলা ইউনিটের ২৩ সদস্যের কমিটি ঘোষণা জেদ্দা বিমানবন্দরের নর্থ টার্মিনালের ফ্লাইট স্থানান্তর, হজ-ওমরাহ যাত্রীদের জন্য নির্দেশনা সেবার আলো মাওলানা সাজ্জাদ নোমানির নেতৃত্বে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নেতাদের বৈঠক দেশের ইসলামী স্কুলগুলো বড় আশীর্বাদ: মাসউদুল কাদির গণপিটুনি ও রাজনৈতিক সহিংসতায় মৃত্যু সরকারের ব্যর্থতার প্রমাণ: গাজী আতাউর রহমান রাষ্ট্রপতি ও এলজিআরডি মন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি খতমে নবুওয়ত মহাসচিবের বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকবে আল-হাইআতুল উলয়ার কার্যক্রম মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড নিয়ে ভাইরাল ভিডিওটি ‘ভুয়া’: সৌদি ‘গত ১৬ বছরে দেশে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে, দুর্নীতিবাজদের বিচার ধীরে ধীরে হবে’

গণপিটুনি ও রাজনৈতিক সহিংসতায় মৃত্যু সরকারের ব্যর্থতার প্রমাণ: গাজী আতাউর রহমান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক

গণপিটুনি ও রাজনৈতিক সহিংসতায় বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানিকে সরকারের ব্যর্থতার প্রমাণ বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। তিনি বলেছেন, দেশে শক্তিশালী সরকার, আইন-আদালতের প্রতি মানুষের আস্থা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ থাকলে এত বিপুলসংখ্যক মানুষকে প্রাণ হারাতে হতো না।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের নিয়মিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, বিগত নয় মাসে সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, গণপিটুনি ও রাজনৈতিক সহিংসতায় ২৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ১৯৮টি গণপিটুনির ঘটনায় আহত হয়েছেন ৪০১ জন। একই সময়ে ১ হাজার ১৩টি রাজনৈতিক সংঘাতের ঘটনায় ৭৩ জন নিহত ও ৬ হাজার ৪৭৩ জন আহত হয়েছেন। এসব রাজনৈতিক সংঘাতের ৯১ শতাংশই বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল অথবা প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা।

তিনি বলেন, এসব পরিসংখ্যান উদ্বেগজনক। নয় মাসের অধিকাংশ সময় বিএনপি ক্ষমতায় থাকলেও দায়িত্ব গ্রহণের সাত মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। এটি সরকারের ব্যর্থতাকেই তুলে ধরছে।

সরকারের এমপি-মন্ত্রীদের পদত্যাগের প্রসঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব বলেন, নানা ব্যর্থতা ও অসদাচরণের দায়ে সরকারের এমপি-মন্ত্রীদের পদত্যাগ করা বা করানোর যে সংস্কৃতি শুরু হয়েছে, তা ইতিবাচক। এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখা উচিত। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদেরও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মাওলানা নেছার উদ্দিন ও শাহ ইফতেখার তারিক; সহকারী মহাসচিব কেএম আতিকুর রহমান ও মাওলানা আহমদ আব্দুল কাইয়ুম; দপ্তর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরি; মাওলানা মানসুর আহমাদ সাকি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ আবুল কাসেম, মাওলানা খলিলুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার শেখ মারুফ ও অধ্যাপক নাসির উদ্দিনসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ