বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ ।। ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১০ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঈদের দিনে পরীক্ষা: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ জামাত, মুসল্লির সংখ্যা ৫! থেমে নেই ইসরায়েলি বিমান হামলা: নিহত আরও দুই ফিলিস্তিনি শরীয়তের আলোকে ঈদুল আজহার দিনের করণীয় ও বর্জনীয় ঈদ স্পেশাল গরুর গোশত রান্না করুন সহজেই পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ৪৫ কিলোমিটার যানজট ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক: ট্রাম্পের আহ্বান নাকচ করল সৌদি ও পাকিস্তান দুপুরের মধ্যে ৭ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস ‘সাধারণ আলেম সমাজ’-এর ৭১ সদস্যের কমিটিতে যারা স্থান পেলেন

হিফজ প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-শিক্ষক সবাইকে আল্লাহ ভালো রাখুন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

|| মুশতারি তাসনিম মুন্নী ||

প্রায়ই দেখা যায় হিফজ প্রতিষ্ঠানে ছাত্রদের অতিরিক্ত শাসনের ছবি। আমার খারাপ লাগে। দুপক্ষের জন্যই।

প্রথমত ওই ছোট ছোট শিশুরা হিফজের বেশ কড়া রুটিনে চলে। সামান্য কিছু সময় ছাড়া ওরা বেশির ভাগ টাইমই রিডিংয়ে থাকে। কুরআন ধারণের জন্য এটুকু মেহনত যে করতেই হবে। এই ছোট্ট শিশুরা বেশির ভাগই আবাসিক। পরিবারের বাইরে ওই হিফজ প্রতিষ্ঠানই ওদের আরেকটি পরিবার হয়ে ওঠে। শাসনের পাশাপাশি একটু স্নেহ আর ভালোবাসা ওরা প্রত্যাশা করে। শহর বা গ্রামের মাদরাসাগুলোতে এসব বিষয়ে একটু সচেতনতা প্রয়োজন।

দ্বিতীয় হলো এই ছোট ছোট কোমল বাচ্চাদের যে কুরআনের ধারক হিসেবে তৈরি করেন। যিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করেন এদের পেছনে। নিশ্চয়ইই তারা শ্রদ্ধা পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু তারও এটা খেদমতের পাশাপাশি ক্যারিয়ার। সংসার বহন করার প্রধান পথ। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষকদের বেতন খুবই কম। পরিবার বা প্রয়োজনীয় খরচ চালাতে বহুত হিমশিম খেতে হয় এদের। শিক্ষকদের যতটুকু সম্ভব বাড়িয়ে বেতন দিন। তাদের নীরব পেরেশানি যেন ডিপ্রেশন না হয়।

যারা শিখছে এবং যিনি শেখাচ্ছেন সবাইকে আল্লাহ ভালো রাখুক। এমন আচরণ না আসুক যার প্রতিচ্ছবি দেখে মায়েদের মন আঁতকে ওঠে।

এমন দৃশ্য না আসুক যে একজন শিক্ষক হাতে হাতকড়া পরে মাদরাসা ত্যাগ করে। সমাজ আমাদের আলেম সমাজকে নিয়ে কটুকথা না বলুক।

লেখক: সমাজকর্মী ও প্রবন্ধকার

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ