শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৮ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযান, হেবরনে ঘরছাড়া ৩০০ পরিবার নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা  হজরত শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে ৮৮ লাখ টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা  নৈতিক সমাজ গঠনে মসজিদ-মাদ্রাসার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: হাবিবুর রশিদ  খুতবার মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতায় আফগানিস্তানকে দায়ী করা বিভ্রান্তিকর: তালেবান মুখপাত্র আল-আকসার খতিবকে ধরে নিয়ে যাওয়ার নিন্দা জমিয়তের পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি খেলাফত মজলিসের শতবর্ষী রেসকোর্স মসজিদের বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ পুনর্বহালে দিল্লি হাইকোর্টের ‘না’ শিশু নিপীড়ন ও আইন হাতে নেওয়া কোনোটাই গ্রহণযোগ্য নয়: হেফাজত

মাতৃগর্ভে থাকা শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না : হাইকোর্ট


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
সংগৃহীত

মাতৃগর্ভে থাকা শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোকে কঠোরভাবে এ আদেশ মানার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। পাশাপাশি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তীর্থ সলিল রায়। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত।

এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি মাতৃগর্ভে থাকা অবস্থায় অনাগত শিশুর লিঙ্গ প্রকাশ করা যাবে না মর্মে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গঠিত কমিটির প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করা হয়। এই নীতিমালা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি, হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা ল্যাবরেটরি কোনো লেখা বা চিহ্ন বা অন্য কোনো উপায়ে শিশুর লিঙ্গ প্রকাশ করতে পারবে না। পরে ১৯ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ নীতিমালা দাখিল করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বিষয়ে আজ রায় দেন হাইকোর্ট।

নীতিমালায় বলা হয়েছে:

১. কোনো ব্যক্তি, হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ল্যাবরেটরি কোনো লেখা বা চিহ্ন বা অন্য কোনো উপায়ে শিশুর লিঙ্গ প্রকাশ করতে পারবে না।

২. এ বিষয়ে কোনোরকম বিজ্ঞাপন দিতে পারবে না।

৩. সরকারের মন্ত্রণালয়গুলো ডাক্তার, নার্স, পরিবার পরিকল্পনা কর্মী, টেকনিশিয়ান কর্মীদের নেতিবাচক ফলাফল সম্পর্কে ট্রেনিং দেবে এবং নৈতিকতা ও পেশাগত আচরণ বিষয়ে ট্রেনিং দেবে।

৪. হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ মেডিকেল সেন্টারগুলো এ সংক্রান্ত সব ধরনের টেস্টের ডাটা সংরক্ষণ রাখবে।

৫. হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ মেডিকেল সেন্টারগুলো ডিজিটাল ও প্রিন্ট মাধ্যমে লিঙ্গ সমতা এবং কন্যাশিশুর গুরুত্ব তুলে ধরে বিভিন্ন মেসেজ প্রচার করবে।

২০২০ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি মাতৃগর্ভে থাকা অবস্থায় অনাগত শিশুর লিঙ্গ পরিচয় রোধে নীতিমালা তৈরি করতে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। রুলে অনাগত শিশুর লিঙ্গ পরিচয় রোধে নীতিমালা বা নির্দেশনা তৈরি করতে বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ও আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না এবং অনাগত শিশুর লিঙ্গ পরিচয় নির্ধারণে নীতিমালা তৈরি করতে বিবাদীদের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চান হাইকোর্ট। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেছিলেন। হাইকোর্টের রুলের পর নীতিমালা তৈরির জন্য কমিটি গঠন করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি গর্ভের শিশুদের লিঙ্গ পরিচয় জানার উদ্দেশে পরীক্ষা ও লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে জনস্বার্থে রিট করেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।

হাআমা/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ