মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদারীপুরে পুকুরে ডুবে জমজ দুই বোনের মৃত্যু ঈমান-আকিদা সংরক্ষণে উলামা-মাশায়েখ কনভেনশনে ৭ দফা দাবি পেশ আটক ব্যক্তির সঙ্গে মানবিক আচরণের নির্দেশ তালেবান সরকারের ট্রান্সজেন্ডারবান্ধব শ্রম আইন বাতিল ও হিজবুত তাওহীদ নিষিদ্ধের দাবি শীর্ষ আলেমদের আলিমে ভর্তি শুরু ২০ সেপ্টেম্বর, ক্লাস ২৩ সেপ্টেম্বর ‘ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণে দ্রুত নীতিমালা প্রণয়ন করবে সরকার’  রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানদের সৌজন্য সাক্ষাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু ফরিদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: প্রায় অর্ধ লক্ষ টাকা জরিমানা   রাষ্ট্রের সর্বস্তরে ট্রান্সজেন্ডারবাদ প্রত্যাখানের দাবি ড. সরোয়ারের

কোরআনের ভুল ধরতে এসে নিজেই ‘আত্মসমর্পণ’ করলেন নায়ক!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জনপ্রিয় নির্মাতা ও অভিনেতা গাজী রাকায়েত অনেকটা নাস্তিক চিন্তাধারার ছিলেন। তিনি পবিত্র কোরআনে কারিমে ভুল ধরার চেষ্টা করেছেন। তবে এক পর্যায়ে নিজেই আত্মসমর্পণ করেছেন। বর্তমানে তিনি ধর্মকর্মে মনোযোগী হয়েছেন।

সম্প্রতি এক পডকাস্টের আলোচনায় তিনি জানান, কোরআনের ভুল ধরতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত নিজেই নিজের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।

প্রখ্যাত এই নির্মাতা ২৮টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন এবং যার চলচ্চিত্র আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত।

গাজী রাকায়েত বলেন, তিনি একসময় কোরআনের কিছু বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন এবং সেগুলোর মধ্যে অসঙ্গতি খোঁজার চেষ্টা করেছিলেন। তবে গভীরভাবে অধ্যয়ন ও বিশ্লেষণ করতে গিয়ে তিনি উপলব্ধি করেন, যে বিষয়গুলো তিনি ভুল ভেবেছিলেন, সেগুলোর পেছনে ছিল গভীর অর্থ।

তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে তার দৃষ্টিভঙ্গি সীমিত ছিল এবং ভাসাভাসা জ্ঞান নিয়ে তিনি বিচার করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বিভিন্ন তাফসির ও প্রেক্ষাপট জানার পর তিনি বুঝতে পারেন কোরআনের আয়াত বুঝতে হলে সঠিক জ্ঞান ও প্রসঙ্গ জানা জরুরি।

এই অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি ‘আত্মসমর্পণ’ শব্দটি ব্যবহার করেন, যা তার ভাষায় সত্যকে মেনে নেওয়ার একটি মানসিক পরিবর্তন। তিনি বিশ্বাস করেন কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত মন্তব্য করার আগে সেটিকে আগে গভীরভাবে জানা প্রয়োজন।

গাজী রাকায়েত আরও বলেন, না জেনে কোনো মন্তব্য করলে সমাজে নানা ধরনের ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হতে পারে। তার এই অকপট স্বীকারোক্তি ও ব্যক্তিগত উপলব্ধির গল্পটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অনেকেই তার এই সত্য অনুসন্ধানের মানসিকতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। আবার অনেকে তার এই অভিজ্ঞতার চুলচেরা বিশ্লেষণ করে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনাও তুলে ধরছেন।

বর্তমানে তিনি নিয়মিত ধর্মচর্চা করছেন এবং ভবিষ্যতে কোরআনের বৈজ্ঞানিক ও গাণিতিক দিক নিয়ে আন্তর্জাতিক গবেষণা করার স্বপ্ন দেখছেন। তার এই জীবনযাত্রার পরিবর্তন অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।

 এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ