শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
ইরানের জব্দ করা সম্পদ ফেরত দিতে অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্মীপুরে অটোচালক হত্যায় গ্রেফতার ৩ যুবক  অবশেষে ইসলামাবাদে আলোচনার টেবিলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ‘অন্যায়-দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিলে পার্লামেন্টে মারামারি শুরু হবে’ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা অধিবেশন অনুষ্ঠিত হামলায় বিকৃত হয়ে গেছে মোজতবা খামেনির মুখমণ্ডল! হাজিদের সেবায় সুনাম কুড়াচ্ছে আল-মিনহাজ হজ ট্রাভেলস পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা আবেগ নয়, বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিন ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ

কোরবানির দিন করণীয়-বর্জনীয়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নাজমুল হাসান।

পবিত্র ঈদুল আজহা মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এই দিনে মুসলমানরা কোরবানির মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন। তবে এ ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালনের সময় করণীয় ও বর্জনীয় কিছু বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি না দিলে তা ধর্মীয় শিষ্টাচার, স্বাস্থ্য ও সামাজিক পরিবেশের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

ইসলামী বিধান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মত অনুযায়ী কোরবানির দিনে যেসব বিষয় মেনে চলা উচিত, তা তুলে ধরা হলো—

করণীয় বিষয়সমূহ:

ঈদের নামাজের আগে কিছু না খাওয়া:
ঈদুল আজহার morning-এ কোরবানির আগে কিছু না খাওয়াকে সুন্নাহ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ইসলামি বিশেষজ্ঞরা।

সুন্নাহ মোতাবেক কোরবানি সম্পন্ন করা:
পশুকে কিবলামুখী করে জবাই, বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার বলা, ধারালো ছুরি ব্যবহার এবং পশুর প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া ইসলামী নিয়ম।

মাংস সুষ্ঠুভাবে বণ্টন:
নিজেদের জন্য একাংশ রেখে, আত্মীয়স্বজন ও গরিবদের মধ্যে বণ্টন করা সুন্নত ও সামাজিক দায়িত্ব।

পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা:
কোরবানির স্থান পরিষ্কার রাখা এবং রক্ত ও বর্জ্য স্বাস্থ্যসম্মতভাবে অপসারণ করা নাগরিক দায়িত্ব।

তাকবিরে তাশরিক পাঠ করা:
৯ জিলহজ ফজর থেকে ১৩ জিলহজ আসরের নামাজ পর্যন্ত তাকবির বলা ওয়াজিব।

বর্জনীয় বিষয়সমূহ:

পশুর প্রতি নিষ্ঠুরতা:
জবাইয়ের আগে বা পরে পশুকে অহেতুক কষ্ট দেওয়া নিষিদ্ধ এবং অমানবিক।

অপচয় ও দেখনদারিত্ব:
কোরবানির নামে লোক দেখানো ও খাদ্য অপচয় ইসলাম বিরোধী।

অদক্ষ কসাই নিয়োগ:
অভিজ্ঞতা না থাকা ব্যক্তি দিয়ে পশু জবাই করালে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।

শিশুদের পাশে রাখা:
জবাই বা কাটাকাটি চলাকালে শিশুদের পাশে রাখা বিপজ্জনক ও ঝুঁিপপূর্ণ।

বর্জ্য অপসারণে অবহেলা:
কোরবানির বর্জ্য যত্রতত্র ফেলে দিলে নগরীর পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হতে পারে।

সচেতনতার আহ্বান

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা বলছেন—“ঈদের আনন্দ ধরে রাখতে হলে ধর্মীয় নির্দেশনা ও নাগরিক সচেতনতা একসঙ্গে অনুসরণ করতে হবে।”
তারা আরও বলেন, “সামান্য অসতর্কতা বা অব্যবস্থাপনা বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি বা পরিবেশ বিপর্যয় ঘটাতে পারে।”

সুতরাং ধর্মীয় ত্যাগ ও সামাজিক দায়িত্ববোধ একত্রে পালন করেই হোক এবারের কোরবানি।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ