শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

অতি শক্তিশালী এল নিনোর বিষয়ে সতর্ক করল জাতিসংঘ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

শক্তিশালী হয়ে ওঠা এল নিনোর প্রভাবে বিশ্ব ‘চরম আবহাওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে’ প্রবেশ করেছে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলমান এল নিনো আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে এবং অন্তত ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এর প্রভাব থাকতে পারে। এমনকি এটি ১৯৫০ সালের পর সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনোতে পরিণত হওয়ার শঙ্কাও রয়েছে।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, এল নিনোর কারণে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে আবহাওয়ার ধরনে বড় পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। কোথাও তীব্র খরা ও দাবানল, আবার কোথাও অতিবৃষ্টি, বন্যা ও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি বাড়বে। এর সঙ্গে মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব যুক্ত হয়ে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ করতে পারে।

জাতিসংঘের মহাসচিব গুতেরেস বলেন, এল নিনো ‘আমাদের চোখের সামনে আরও বড় আকার ধারণ করছে’। পৃথিবী এখন এমন এক অজানা পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে, যেখানে তাপমাত্রা ক্রমেই বাড়ছে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরের গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ এলাকায় সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ইতোমধ্যে স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বেড়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক মাসে এই ব্যবধান প্রায় ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্য আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাঞ্চলে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। এতে খরা ও দাবানলের ঝুঁকি বাড়তে পারে। অন্যদিকে পূর্ব আফ্রিকা, দক্ষিণ ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলের কিছু এলাকায় অতিবৃষ্টির কারণে বন্যার শঙ্কা রয়েছে।

ডব্লিউএমও মহাসচিব সেলেস্তে সাওলো সতর্ক করে বলেছেন, এল নিনো বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন জনগোষ্ঠী ও অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের আঘাত হানতে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম সতর্কতা ও প্রস্তুতি জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
এসএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ