শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
জুলাই গ্রাফিতি সংরক্ষণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হলো পুনর্লিখন কার্যক্রম হেজবুত তাওহীদ ঈমান বিধ্বংসী, নিষিদ্ধ করতে হবে: হেফাজত আমির ফিলিস্তিনের গ্রামে ঢুকে মিছিল করল ইসরায়েলি বসতিরা গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু সেফটি ট্যাংকির দেয়াল ধসে শ্রমিকের মৃত্যু বাড়তে পারে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীর পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা ‘আয়নাঘর’ বিগত সরকারের ‘ফ্যাসিবাদী’ চরিত্রের চরম বাস্তবতা: চিফ প্রসিকিউটর বৃষ্টির আশায় তামিলনাড়ুতে মুসল্লিদের বিশেষ নামাজ ও মোনাজাত! জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন ৫ আগস্ট ‘নৈতিকতা, আদর্শ, সততা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে’

ঈদ জামাতে গিয়ে তোপের মুখে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ঈদুল ফিতরে মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি সংহতি জানাতে গিয়ে মুসল্লিদের ব্যাপক তোপের মুখে পড়েছেন অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক। এক পর্যায়ে মসজিদ থেকে বেরিয়ে যেতে বাধ্য হন তারা। 

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মসজিদ- পশ্চিম সিডনির লাকেম্বা মসজিদে এই ঘটনা ঘটে। 
অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ঈদুল ফিতরের নামাজে অংশ নিতে কমিউনিটি নেতাদের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। তবে গাজায় ইসরয়েলি আগ্রাসন নিয়ে অস্ট্রেলীয় সরকারের অবস্থান এবং দেশটিতে ক্রমবর্ধমান ইসলামবিদ্বেষ (ইসলামোফোবিয়া) নিয়ে সৃষ্ট ক্ষোভ থেকে সেখানে উপস্থিত বেশ কিছু মুসল্লি এই দুই নেতাকে ‘গণহত্যা সমর্থক’ বলে অভিযুক্ত করেন এবং “টনি বার্ককে ধিক্কার, আলবানিজকে ধিক্কার” এবং “এদের এখান থেকে বের করে দাও”— শ্লোগান দিতে শুরু করে। 

পরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে যান অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক। তবে তারা বের হয়ে যাওয়ার সময়েও বেশ কয়েকজন তার দিকে চিৎকার করতে থাকেন। 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সকাল ৮টার দিকে নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশকে মসজিদে ডাকে মসজিদ কর্তৃপক্ষ। তারা প্রধানমন্ত্রী অ্যালবানিজের দিকে চিৎকার করা এক ব্যক্তিকে প্রথমে আটক করলেও পরে কোনো অভিযোগ ছাড়াই ছেড়ে দেয় এবং মসজিদ ত্যাগ করতে বলে। 

এদিকে লাকেম্বা মসজিদ পরিচালনাকারী সংগঠন লেবানিজ মুসলিম অ্যাসোসিয়েশনের (এলএমএ) সচিব ও মুখপাত্র হাজ্জ গামেল খায়ের এ ঘটনার পর এক বিবৃতিতে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী অ্যালবানিজকে নামাজের অনুষ্ঠানে স্বাগত জানানো হয়েছিল এবং তারা তাদের দরজা সবার জন্য ‘উন্মুক্ত রাখা অব্যাহত’ রাখবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা বুঝি যে মানুষের আবেগ এখন তুঙ্গে, বিশেষ করে গাজায় চলমান কষ্ট এবং লেবাননের ধ্বংসযজ্ঞের কারণে। আমাদের সম্প্রদায়ের জন্য এগুলো কোনো দূরের বিষয় নয়। তবে আমাদের পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। দেশের নির্বাচিত নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্ত হওয়া মানে এই উদ্বেগের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা নয়, বরং এভাবেই আমরা তাদের কাছে আমাদের দাবি পৌঁছে দেবো। সম্পৃক্ততা থেকে সরে আসা আমাদের সম্প্রদায়ের কোনো অগ্রগতি করেনি, কিংবা বিদেশের ফলাফলেও কোনো পরিবর্তন আনেনি।’

 এমএম./


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ