শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা আবেগ নয়, বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিন ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে

গাজায় ৮ হাজার সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি ইন্দোনেশিয়ার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ফিলিস্তিনের গাজায় শান্তি বজায় রাখতে এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে ইন্দোনেশিয়া। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সেখানে অন্তত ৮ হাজার সেনা সদস্য পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে জাকার্তা। দেশটির সংবাদ সংস্থা আনতারা জানায়, সম্প্রতি সেনাপ্রধান মারুলি সিমানজুনতাক ও প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর মধ্যে এক বৈঠকের পর এই সম্ভাব্য সেনা মোতায়েনের বিষয়টি সামনে আসে। 

প্রাবোও সুবিয়ান্তো সংবাদমাধ্যমকে জানান, একটি আন্তর্জাতিক সমঝোতা বাস্তবায়িত হলে এবং শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানোর প্রয়োজন পড়লে ইন্দোনেশিয়া যেন পুরোপুরি প্রস্তুত থাকে, সেই লক্ষ্যেই এ কাজ চলছে।

এই সেনাদলটি হবে গাজায় প্রস্তাবিত বহুজাতিক ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশনের ফোর্স (আইএসএফ) প্রথম অংশ। সবমিলিয়ে এই বাহিনীতে ২০ হাজার সদস্য থাকার কথা জানা গেছে। 

ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তাদের মূল লক্ষ্য হবে গাজায় শান্তি ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা। এর আগে গত নভেম্বরে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, গাজায় স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামো নির্মাণে সহায়তার জন্য ২০ হাজার সেনাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে গত বছর ১০ হাজার টন চাল পাঠানোর পাশাপাশি ফিলিস্তিনিদের দীর্ঘমেয়াদী খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে সুমাত্রা ও কালিমান্তানে বিশেষ চাষাবাদ প্রকল্পও চালু করেছে জাকার্তা।

 এদিকে শান্তি মিশন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার পাশাপাশি বিতর্কও তৈরি হয়েছে। সমালোচকদের একাংশ মনে করছেন, এই আন্তর্জাতিক বাহিনী গাজায় ইসরায়েলি দখলদারিত্বকে দীর্ঘস্থায়ী করতে পরোক্ষভাবে সহায়তা করতে পারে। অবশ্য ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, তাদের এই অংশগ্রহণ কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার জন্য নয় বরং পুরোপুরি মানবিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হবে। 

 এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ