শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা আবেগ নয়, বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিন ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে

দুই ঘণ্টার ব্যবধানে কাশ্মীরসহ ভারতের দুই অঞ্চলে জোরাল ভূমিকম্প

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাত্র দুই ঘণ্টার ব্যবধানে ভারতের দুই অঞ্চলে আঘাত হেনেছে জোরালো দুই ভূমিকম্প। এর মধ্যে ভারতের কেন্দ্রশাসিত জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুলা জেলায় আঘাত হেনেছে ৪ দশমিক ৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্প। 

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টা ৩৫ মিনিটে এই কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল পাত্তান এলাকা। এখন পর্যন্ত এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

একইদিনে ভোর আনুমানিক ৩টা ৩০ মিনিটে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জেও ৪ দশমিক ৬ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির (এনসিএস) বিবৃতি অনুযায়ী, ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়।

এনসিএস জানায়, ভূমিকম্পটির অবস্থান ছিল উত্তর অক্ষাংশ ৯ দশমিক ০৩ ডিগ্রি এবং পূর্ব দ্রাঘিমাংশ ৯২ দশমিক ৭৮ ডিগ্রি।

ভারতের ভূমিকম্প ঝুঁকির মানচিত্র অনুযায়ী, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ‘সিসমিক জোন–৫’-এর অন্তর্ভুক্ত, যা দেশের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলগুলোর একটি। অতীতে এই এলাকায় বেশ কয়েকটি বড় ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বরের ভয়াবহ ভূমিকম্পের ফলে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে শক্তিশালী সুনামি সৃষ্টি হয়। এতে ব্যাপক প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষতি হয়েছিল বলে জানিয়েছে আন্দামান ও নিকোবর প্রশাসনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত অগভীর ভূমিকম্প গভীর ভূমিকম্পের তুলনায় বেশি ক্ষতিকর হয়ে থাকে। কারণ, অগভীর ভূমিকম্পে উৎপন্ন কম্পন দ্রুত ভূপৃষ্ঠে পৌঁছে যায়, ফলে ভূমি বেশি কাঁপে এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাও বেড়ে যায়।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ