শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
হাজিদের সেবায় সুনাম কুড়াচ্ছে আল-মিনহাজ হজ ট্রাভেলস পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা আবেগ নয়, বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিন ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী

ভারতে কিশোর-কিশোরীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধের প্রস্তাব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব নিয়ে বিতর্ক জোরালো হচ্ছে। বিশ্বের সবচেয়ে রেকর্ডসংখ্যক ব্যবহারকারী বাজারগুলোর একটি ভারত। তবে এবার ভারতে কিশোর-কিশোরীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জোটসঙ্গী তেলুগু দেশম পার্টির (টিডিপি) এক সংসদ সদস্য এ বিষয়ে একটি বিল উত্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছেন। বিষয়টি বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। খবর রয়টার্সের।

টিডিপির সংসদ সদস্য এলএসকে দেবারায়ালু শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) রয়টার্সকে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্ত হয়ে পড়ছে দেশের শিশু-কিশোরেরা। একই সঙ্গে ভারত বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য বিপুল পরিমাণ তথ্যের উৎসে পরিণত হয়েছে। তার অভিযোগ, এই তথ্য ব্যবহার করে বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলছে, কিন্তু এর কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সুবিধা পাচ্ছে অন্য দেশগুলো।

সংসদ সদস্য দেবারায়ালুর প্রস্তাবিত ১৫ পৃষ্ঠার ‘সোশ্যাল মিডিয়া (এজ রেস্ট্রিকশনস অ্যান্ড অনলাইন সেফটি) বিল’-এ বলা হয়েছে, ১৬ বছরের কম বয়সী কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খুলতে, রাখতে বা ব্যবহার করতে পারবে না। কেউ এই বিধি লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করার কথাও বলা হয়েছে। বিলটি এখনো প্রকাশ্যে আনা হয়নি, তবে এর একটি কপি গণমাধ্যম রয়টার্সের হাতে এসেছে।

এই প্রস্তাবে ব্যবহারকারীর বয়স যাচাইয়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দেবারায়ালু। তিনি বলেন, বয়স যাচাইয়ের দায় ব্যবহারকারীর নয়, কোম্পানিগুলোকেই তা নিশ্চিত করতে হবে।

এ বিষয়ে ফেসবুকের মালিক মেটা, ইউটিউবের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট এবং এক্স কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে মেটা আগেই বলেছে, তারা অভিভাবক তত্ত্বাবধানভিত্তিক আইন সমর্থন করে, তবে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা দিলে কিশোররা আরও ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিয়ন্ত্রিত প্ল্যাটফর্মে চলে যেতে পারে।

ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে এখনো মন্তব্য করেনি। বর্তমানে ভারতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট ন্যূনতম বয়স নির্ধারিত নেই। দেশটিতে প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন স্মার্টফোন ব্যবহারকারী এবং প্রায় এক বিলিয়ন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানিগুলোর জন্য বড় বাজার।

 এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ